২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

২৮টি নতুন উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি প্রদান

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র খাতে নতুন ২৮টি প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি প্রদান করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রাথমিকভাবে ৩ বছরের জন্য স্বীকৃতি সনদ প্রদান করা হয় যা সন্তোষজনক রিপোর্টের ভিত্তিতে নবায়ন করা হবে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এক অনুষ্ঠানে এসব উদ্যোক্তাদের হাতে স্বীকৃতি সনদ তুলে দেন ব্যাংকের ডেপুটি গবর্নর এস কে সুর চৌধুরী। জানা যায়, ২০১৩ সালে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) ২ হাজার নতুন উদ্যোক্তা তৈরির প্রকল্পের আলোকে নতুন উদ্যোক্তাদের পুনর্অর্থায়ন সুবিধা প্রদানে বাংলাদেশ ব্যাংক ‘কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র খাতে নতুন উদ্যোক্তা পুনর্অর্থায়ন তহবিল’ নামে ১০০ কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করে। এ তহবিলের আওতায় ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে স্বীকৃতি গ্রহণে আগ্রহী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। আবেদনপত্র মূল্যায়নের মাধ্যমে যোগ্য উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান নির্বাচনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন নির্বাহী পরিচালকের নেতৃত্বে ৬ সদস্যোর একটি নির্বাচক বা মূল্যায়ন কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি আবেদনকারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত যাচাই করে ২৮টি প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য সুপারিশ করেন। পরে গবর্নর ড. আতিউর রহমান চূড়ান্ত অনুমোদন করেন।

প্রতিষ্ঠানগুলোকে নারী উদ্যোক্তা, উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল উদ্যোগ, আইসিটি খাত, আমদানি বিকল্প উদ্যোগ, রফতানিমুখী উদ্যোগ, কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত উদ্যোক্তাদের শিক্ষা সংশ্লিষ্ট উদ্যোগ এ ৬টি খাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ তহবিলের আওতায় ১৮-৪৫ বছর বয়সী কারিগরি শিক্ষা ও জ্ঞানসম্পন্ন যে কোন উদ্যোক্তা যারা পূর্বে ব্যাংক ঋণ গ্রহণ করেননি তাদের শিল্প ও সেবা খাতে কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র উদ্যোগে ১০ শতাংশ সুদে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ও সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতসহ ঋণের বিপরীতে শতভাগ পুনর্অর্থায়ন সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক স্বীকৃত দেশের বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান হতে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ব্যবসা পরিচালনা, বাজারজাতকরণ ইত্যাদি বিষয়ে অথবা কারিগরি বিষয়ে (পণ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, যন্ত্রপাতি মেরামত ইত্যাদি) প্রশিক্ষিত নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য এ তহবিলের আওতায় অর্থায়নের সুযোগ রয়েছে।

এয়ারটেল গ্রাহকসংখ্যা ১ কোটি ছাড়াল

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ মোবাইল অপারেটর এয়ারটেল বাংলাদেশের গ্রাহকসংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়েছে। সম্প্রতি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে মোবাইল অপারেটরটি। ওয়ারিদ টেলিকমকে কিনে নিয়ে ২০১০ সালে বাংলাদেশে যাত্রা এয়ারটেলের। ব্যবসা শুরুর পাঁচ বছরের মাথায় এক কোটি গ্রাহকের মাইলফলক অর্জন করল অপারেটরটি। এয়ারটেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) প্রশান্ত দাস শর্মা বলেন, যে কোন টেলিযোগাযোগ কোম্পানির জন্যই এক কোটি গ্রাহকের মাইলফলক বহুল আকাক্সিক্ষত বিষয়। এটি এয়ারটেলের প্রতি গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বস্ততার প্রকাশ। এ জন্য সব গ্রাহক, সরকারী সংস্থা ও অন্য অংশীদারদের ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এয়ারটেলের গ্রাহকসংখ্যা ছিল ৯৭ লাখ ১৭ হাজার। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে আরেক মোবাইল অপারেটর রবি আজিয়াটার সঙ্গে একীভূত (মার্জার) হতে বিটিআরসিতে আবেদন জমা দিয়েছে এয়ারটেল বাংলাদেশ। অপারেটর দুটি এক হলে নম্বর ব্যবহারের ক্ষেত্রে ০১৬ কোডটি তিন বছর পর্যন্ত চালু থাকবে। অর্থাৎ একীভূত হওয়ার দিন থেকে তিন বছর পর্যন্ত এয়ারটেলের বর্তমান গ্রাহকরা ০১৬ কোডযুক্ত বর্তমান নম্বরটিই ব্যবহার করতে পারবেন।