১৫ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

যুবলীগের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যুবলীগের ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ। ১৯৭২ সালের ১১ নবেম্বর দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ এ যুব সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক প্রথিতযশা সাংবাদিক শেখ ফজলুল হক মণি এ সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যুব সমাজকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে যুবলীগ বিস্তারিত কর্মসূচী হাতে নিয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে আজ বুধবার সকাল ৮টায় ধানম-ি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু জাদুঘরের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, সকাল সাড়ে ৮টায় বনানী কবরস্থানে শহীদ শেখ ফজলুল হক মণি’র কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ। যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনুর রশীদ এক বিবৃতিতে যুবলীগের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সকল কর্মসূচী সফল করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশ পুনর্গঠনসহ ইতিহাস অর্পিত সকল দায়িত্ব অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে পালন করে আসছে যুবলীগ। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ইতিহাসের এই জঘন্যতম হত্যাকা-ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য যুবলীগ প্রাণপণ চেষ্টা চালায়। এই প্রতিরোধ আন্দোলনে শাহাদাত বরণ করেন বীর চট্টলার যুবলীগ নেতা মৌলভী ছৈয়দ আহ্মদ ও বগুড়ার আব্দুল খালেক খসরু। বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশের যুবশক্তিকে যুগোপযোগী ও রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার ভিশন ২০৪১ সফল করার প্রধান শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে যুবলীগের বর্তমান নেতৃত্ব মেধা ও মননের চর্চা অব্যাহত রেখেছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে যুবলীগ ইতোমধ্যে দুই শতাধিক প্রকাশনা বের করেছে। বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয় এবং যুবলীগের নিজস্ব প্রকাশনাসমূহ বিক্রয়ের জন্য ২৩ বঙ্গবন্ধু এ্যাভিনিউ ও ধানম-ি ৫ নম্বর সড়কে দুইটি স্থায়ী বিক্রয় ও প্রদর্শনী কেন্দ্র রয়েছে। যুবলীগ বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ওপর গুরুত্বপূর্ণ বই প্রকাশ করেছে যা ইতোমধ্যে ঐতিহাসিক দলিল ও গবেষণার তথ্যসূত্র হিসেবে দেশের বুদ্ধিজীবী সমাজের প্রশংসা কুড়িয়েছে।