২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ তাপসীর মৃত্যু

অনলাইন রিপোর্টার ॥ অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন গাজীপুরে স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ গৃহবধূ তপতী দাস (২৫)। ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দুপুর ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থ সংকর পাল দগ্ধ তপসী দাসের মৃত্যু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, তার শরীরের ৯০ ভাগ দগ্ধ হওয়ায় তিনি খুবই আশঙ্কাজনক অবস্থায় ছিলেন। অনেক চেষ্টা করেও তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হলো না।

এর আগে, গজীপুরের কালিয়াকৈর পৌরসভার চন্দ্রা এলাকার হাজী ফজল মিয়ার বাড়িতে গত শনিবার রাত ১০টার দিকে এই গৃহবধূর শরীরে আগুন ধরিয়ে দেন তার স্বামী সঞ্জয় কুমার দাস। প্রতিবেশীরা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে দগ্ধ তপসী দাসকে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠিয়ে দেন।

পুলিশ এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির মালিক হাজী ফজল মিয়াকে আটক করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ওই রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে গৃহবধূর স্বামী সঞ্জয় কুমরা দাসকে এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। গাজীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোতালেব বলেন, ঘটনার পর গৃহবধূ তপসী দাসের মা রাজেন্দ্র দাস থানায় একটি মামলা করেছেন। এতে দগ্ধের স্বামী সঞ্জয় কুমার দাসকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। কিন্তু ঘটনার পর তিনি পালাতক থাকায় এখনও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে তাকে গ্রেফতারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অগ্নিদগ্ধ তপসী দাস কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার এলংঝুড়ি এলাকার রাজেন্দ্র দাসের মেয়ে। তিনি তার স্বামীর সঙ্গে চন্দ্রা এলাকার দীঘির উত্তর পাড়ের ফজল হাজীর বাড়িতে ভাড়া থেকে কারখানায় কাজ করতেন।