২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রেলের জায়গা বেদখল

  • নওগাঁ ও পার্বতীপুর

বিশ্বজিৎ মনি, নওগাঁ ॥ জেলার আত্রাইয়ে একের পর এক বেদখল হয়ে যাচ্ছে রেলওয়ের জায়গা-জমি। ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠছে অবৈধ স্থাপনা। সেই সঙ্গে অযতেœ-অবহেলায় নষ্টও হয়ে যাচ্ছে রেলওয়ের কোটি টাকার সম্পদ। এসব সম্পদের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় দিনের পর দিন হারিয়ে যাচ্ছে রেলের লাইনসহ মূল্যবান সম্পদ ও বেদখল হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন স্থাপনা ও জায়গা-জমি। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, আত্রাই পুরনো রেলওয়ে স্টেশন থেকে বর্তমান স্টেশন আহসানগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার একাধিক লাইন দীর্ঘদিন থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। পরিত্যক্ত থাকায় একদিকে যেমন অযতেœ-অবহেলায় বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে, অপরদিকে বেদখল হয়ে হারিয়ে যাচ্ছে রেলের মূল্যবান লাইন। আত্রাই রেলওয়ে প্লাটফর্ম ও বিএডিসি গোডাউনের মধ্যবর্তী রেলের একাধিক লাইনের ওপর বালু ভরাট করে সেখানে গড়ে তোলা হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা। যুগ যুগ থেকে এসব লাইন অকেজো হয়ে পড়ে থাকায় এবং সঠিক তদারকি না থাকায় দখলদাররা রেলের লাইনসহ জায়গা-জমি দখলে মেতে উঠেছে। এ ছাড়াও রেলওয়ের গুদাম ও টিকিট কালেক্টর ভবন পরিত্যক্ত থাকায় আস্তে আস্তে এর মূল্যবান জিনিসপত্র হারিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই ওই ভবনের দরজা-জানালা উধাও হয়ে গেছে। রেলের এসব স্থাপনা পরিত্যক্ত থাকায় এবং রেলের নিজস্ব আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোন তৎপরতা না থাকায় অসামাজিক কার্যকলাপের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। রেলওয়ের পক্ষ থেকে এসব স্থাপনা সংস্কার করা বা ভেঙ্গে মার্কেট গড়ে তুললে একদিকে রেলের রাজস্ব আয় বাড়বে, অন্যদিকে কর্মসংস্থান খুঁজে পাবে এলাকার বেকার যুবক। আত্রাই রেলস্টেশন সংলগ্ন ভরতেঁতুলিয়া গ্রামের আব্দুল মতিন মামুন বলেন, রেল কর্তৃপক্ষের উদাসিনতার কারণে রেল প্রতিনিয়ত লোকসানের শিকার হচ্ছে।

আত্রাই রেলস্টেশনের নিচ দিয়ে কেডিসি পর্যন্ত তাদের গুদাম ও অন্যান্য পরিত্যক্ত স্থাপনা সরিয়ে এখানকার জায়গা দখলমুক্ত করে মার্কেট তৈরি করলে রেল প্রতিমাসে প্রচুর রাজস্ব আয় করতে পারবে। গুদামের উত্তর-দক্ষিণ ও পশ্চিমাংশ বেদখল হয়ে গেছে। এভাবে পড়ে থাকলে কিছুদিন পর হয়ত গুদামের টিনও খুঁজে পাওয়া যাবে না। আত্রাই রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাইফুল ইসলাম বলেন, নিচের গুদাম ঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে একাধিকবার উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয়েছে।