২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আজ সেই ভয়াল ১২ নবেম্বর

হাসিব রহমান, ভোলা ॥ আজ সেই ভয়াল ১২ নবেম্বর। ১৯৭০ সালের এই দিনে মহাপ্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে উপকূলীয় অঞ্চলসহ ভোলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটিয়েছিল।

সেই স্মৃতি নিয়ে আজও যারা বেঁচে রয়েছেন এবং তাদের মধ্যে যারা আত্মীয়-স্বজন হারিয়েছেন সেই বিভীষিকাময় দিনটি মনে পড়তেই আঁতকে উঠছেন। দিনটি স্মরেণে আলোচনাসভা, সেমিনার, কোরানখানি ও মিলাদ মাহফিল আয়োজন করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়। উপমহাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর মধ্যে ’৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ে সবচেয়ে বেশি প্রাণ হারিয়েছিল। ভোলা জেলায় লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। আর অসংখ্য জনপদ বিরান হয়। উত্তাল মেঘনা নদী আর তার শাখা-প্রশাখাগুলো রূপান্তরিত হয়েছিল লাশের নদীতে। সে এক ভয়াবহ দৃশ্য। জনমানুষ শূন্য হয়ে পড়েছিল দ্বীপজেলা ভোলা।

নিজস্ব সংবাদদাতা, লক্ষ্মীপুর থেকে জানান, ১৯৭০ সালের এদিনে লক্ষ্মীপুর ও তৎকালীন বৃহত্তর নোয়াখালীসহ উপকূলীয় অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে আঘাত হানে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস।

এতে দেশের উপকূলীয় জনপদ পরিণত হয় ধ্বংস্তূপে। গোটা জনপদ পরিণত হয় মৃত্যুপুরিতে। এই দুর্যোগে রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় সৃষ্টি হয়, চরম দুর্যোগময় পরিস্থিতি।

ল-ভ- হয়ে যায় সব কিছু। উত্তাল ঢেউয়ের প্রবল স্রোতের টানে ভাসিয়ে নিয়ে যায় হাজার হাজার মানুষ, গবাদি-পশু, ঘরবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ লক্ষ কোটি টাকার সহায় সম্পদ। সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যায় বিস্তীর্ণ জনপদ, খেতের ফসল।

বাগেরহাটে গৃহবধূ হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট ॥ বাগেরহাটে ফরিদা বেগম হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোঃ জাকারিয়া হোসেন এ রায় দেন। দ-প্রাপ্ত আসামি রুহুল হাওলাদার (৩৮) বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা উত্তর তাফালবাড়ি গ্রামের ইসলামইল হাওলাদারের ছেলে। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, শরণখোলা উপজেলার উত্তর তাফালবাড়ি গ্রামের রুস্তুম হাওলাদারের মেয়ের সঙ্গে একই এলাকার ইসমাইল হাওলাদারের পুত্র রুহুল হাওলাদার তার ছোট ভাইয়ের বিবাহের প্রস্তাব দেয়। বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা এবং জমি-জমা নিয়া পূর্ববিরোধের কারণে ২০১২ সালের ২ মে সময় রুস্তুম হাওলাদারের বসতঘরে ঢুকে তার স্ত্রী ফরিদা বেগমকে একা পেয়ে রুহুল হাওলাদার ধারালো দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে।

নির্বাচিত সংবাদ