১৭ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সৌদি আরবে সরকারী ঋণের পরিমাণ বাড়ছে

  • বৈদেশিক রিজার্ভ হ্রাস পাওয়ার জের

সৌদি আরবে সরকারী ঋণ গ্রহণের পরিমাণ বাড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী পাঁচ বছরে তেল সমৃদ্ধ এ দেশটির মোট দেশজ আয়ের (জিডিপি) ৫০ শতাংশের মতো দাঁড়াতে পারে এই ঋণ। দেশটি ইতোমধ্যেই স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে বন্ড বিক্রি শুরু করেছে। খবর ইন্ডেপেন্ডেন্ট অনলাইনের।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমস পত্রিকাকে সৌদি কর্মকর্তারা বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরে সরকারী ঋণ জিডিপির ৫০ শতাংশের কাছাকাছি হতে পারে (পরিমাণটি অবশ্য পশ্চিমা অনেক অর্থনীতির চেয়ে কম)। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়াতেই সরকার বন্ড বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানা গেছে। গত বছর টানা ছয়মাসের বেশি সময় তেলের মূল্য নিম্নমুখী থাকায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ওই কর্মকর্তা আরও বলেছেন, ‘আমরা সঙ্কটের মধ্যে নেই। আমাদের রিজার্ভ আছে। তারপরও আমরা ঋণ নিচ্ছি। রাজস্ব উৎপাদনমূলক কর্মসূচী আমরা হাতে নিয়েছি। তবে বন্ড কেনার উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) জন্য ভাল। সংস্থাটি আগে থেকে বলে আসছিল সৌদি আরবের উচিত তেলের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে অর্থনীতিকে বহুমুখী করা। তেলের ওপর নির্ভরশীলতা না কমালে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফুরিয়ে যেতে পারে। সৌদি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিশ্ব বাজারে তেলের পর্যাপ্ত যোগান সত্ত্বেও নিজের অবস্থান ধরে রাখার জন্য দেশটি তেল উত্তোলন অব্যাহত রাখবে।

সৌদি তেলমন্ত্রী আবদুল আজিজ বিন সালমান আল সাউদ সম্প্রতি কাতারে এক জ্বালানি বৈঠকে বলেছেন, তেলের দরপতন নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। সৌদি আরব তেল উত্তোলন স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখবে। বর্তমানে দেশটি প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল তেল উত্তোলন করছে। গত ১২ মাসে অশোধিত ব্রেন্ট তেলের দর ৪৩ শতাংশ পড়ে গিয়ে ব্যারেল প্রতি ৪৮ ডলার হয়েছে। যা এক সময় ১১৫ ডলার ছিল।