২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মার্কিনীদের মতো আমাদেরও কী কোন সঞ্চয় থাকবে না?

  • ড. আর এম দেবনাথ

সুশীল ও বুদ্ধিজীবী শ্রেণীর ১৭ জনের সবারই বাংলাদেশ ছাড়াও বিদেশী আরেকটি দেশের পাসপোর্ট রয়েছে। শুনলাম বনানীতে আলীশান বাড়িও আছে। প্রত্যেকের সন্তানরাই বিদেশে পড়াশোনা করছে। এই ১৭ জনকেই দেখা যায় বাংলাদেশের প্রধান দুই নেত্রীকে পরামর্শ দান করতে। এদের মধ্যে যাকে সবচেয়ে বড় মাপের সুশীল বলে বিবেচনা করা হয়, সেই ভদ্রলোকটি ১৯৭৮ সালে গুলশানে ১০ কাঠার প্লট পান। ১৯৮২ সালে সেখানে বাড়ি নির্মাণ করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেই ভবনের ট্যাক্স প্রদান করেননি। যদিও তার মুখে বিভিন্ন সেক্টরের আয়-ব্যায়ের হিসাব চাওয়া হয়। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতার কথা উচ্চারিত হয়’-একটি বহুল প্রচারিত কাগজের মঙ্গলবারের এই সংবাদটি পাঠ করে আমার এক পরিচিতিজন ও বন্ধু জানতে চান এই ১৭ জনকে, আবার কেইবা সবচেয়ে বড় মাপের সুশীল ভদ্রলোক যিনি গুলশানে ১০ কাঠার ওপর তৈরি বাড়ির মালিক। বলা বাহুল্য, আমি অজ্ঞতা প্রকাশ করি। করি, কারণ ঐ জগতের সঙ্গে আমার পরিচয় কম। তবে বলতে দ্বিধা নেই, প্রতিদিন বিভিন্ন লোকের কাছে যেসব কথা শুনি, নানা উপলক্ষে যেসব গল্প, সত্যকথা, অভিজ্ঞতার কথা শুনি তাতে ১৭ জন নিয়ে আমার কোন উৎসাহই জাগে না। কারণ দেশে হাজার হাজার ‘১৭ জন’ আছে। এসব লোককে আজকাল রাস্তাঘাটে পাওয়া যায়। এমন খুব কম লোকই পাই যাদের ছেলেমেয়ে, স্ত্রী-শ্যালিকা, ভাই, ভাতিজা বিলেত, আমেরিকা, ইউরোপ, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া নিউজিল্যান্ড, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুার, এমনকী চীনে নেই। এর মধ্যে বড় বড় আমলা-কামলা, ব্যবসায়ী- শিল্পপতি, রাজনীতিবিদ, ছাত্র নেতা, বাম-ডান নেতা থেকে শুরু করে সাধারণ মধ্যবিত্তও আছে। এদের অনেকেই দুই দেশের পাসপোর্টহোল্ডার। বস্তুত দুই দেশের পাসপোর্ট হোল্ডার নয় এমন এক ব্যক্তিই এখন দুর্লভ খবরের বিষয়। এটা এখন সামাজিক মর্যাদার একটা বিষয়। বিদেশে কেউ নেই এমন ব্যক্তি এখন হতভাগাই বটে! অপরদিকে প্রবাসী বাংলাদেশীর মর্যাদা অনেক বেশি। এসবের কারণ-অকারণে আমি যাব না। তবে একদিন না একদিন একথা উঠবেই-দুই দেশের পাসপোর্টহোল্ডারররা কারা?

দুই দেশের পাসপোর্ট নয়, এমন কী নয় সকল দেশের আমি আলোচনা করতে চাই এমন একটা দেশের সঞ্চয় সম্পর্কে যে দেশে বাংলাদেশীরা যেতে পারলে তাকে তারা স্বর্গপ্রাপ্তি বলে মনে করে। বোধগম্যভাবেই সেই দেশটি এই মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সেই দেশের লোকের অবস্থা কী এবং তাদের সঞ্চয়ের স্তর কী- এই সম্পর্কে গত ১০ নবেম্বর একটা খবর ছাপা হয়েছে। সেই খবরে বলা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনের সঞ্চয়ী হিসাব নেই অথবা থাকলেও তাতে ১০০০ ডলার অথবা তারও কম ব্যালেন্স থাকে। দ্বিতীয় খবর, ৩৫ থেকে ৫৪ বছর বয়সী ৩১ শতাংশ নাগরিকের কোন সঞ্চয় নেই। আর ১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের মধ্যে ২৯ শতাংশের কোন ব্যাংক হিসাব নেই। খবরটিতে বলা হয়েছে, কম বয়স্ক মার্কিনীদের মধ্যে কপর্দকশূন্য হওয়ার একটা ঝোঁক রয়েছে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত সঞ্চয় রয়েছে শুধু বয়স্ক ও উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের। এটি একটি জরিপের ফল। ঐ ফলে আরও বলা হয়েছে, আমেরিকানদের এই সঞ্চয় দৈন্যের বিষয়টি খুবই উদ্বেগজনক। জরুরী প্রয়োজন মেটানোর মতো নগদ অর্থও তাদের নেই। এই পরিস্থিতিতে তাদের ধারদেনা করতে হয়, বন্ধু-বান্ধব ও পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপর নির্ভর করতে হয়। অপ্রত্যাশিত ব্যয় মেটানোর জন্য তাদের অবসর ভাতার টাকাও চলে যায়। আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইউরোপীয় দেশগুলো সম্পর্কে সবিশেষ জানি না, চাক্ষুস তো নয়ই। দেখি বা বুঝি তা খবরের কাগজ পড়ে, টেলিভিশন দেখে, মানুষের অভিজ্ঞতার কথা শুনে। কিছুদিন আগে একটি খবরে দেখলাম মার্কিন পরিবারগুলোর প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পিতা-মাতা তাদের সন্তানদের দুপুরের খাবারের জন্য নিজেরা দুপুরের খাবার বর্জন করেন। এ ধরনের খবর প্রায়শই পড়ি। এসব খবর যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোই প্রকাশ করে। স্পষ্টত বোঝা যায় ঐ দেশে সম্পদ ও সঞ্চয় আছে ধনীদের, মহাধনীদের হাতে। সেখানে সাধারণ লোক, নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত বলতে কিছু নেই কার্যত। স্পষ্টত তারা ঋণ করে চলে। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত তারা ঋণ করে চলে। ‘ঋণং কৃত্বং ঘৃতং পিবেৎ, যাবৎ জীবেৎ সুখং জীবেৎ’। এই সম্ভবত তাদের নীতি যা ছিল এক সময় ২৫০০ বছর আগে ভারতীয় দার্শনিক চার্বাকের দর্শন। আমেরিকানরা যে দুনিয়ার সবচেয়ে ঋণগ্রস্ত জাতি এ খবর তারা দু’দিন পর পর আমাদের জানায়।

আমার প্রশ্ন- এ হেন একটা দেশে যাওয়ার জন্য আমাদের দেশের মন্ত্রী-মিনিস্টার, সচিব, রাজনৈতিক নেতা, ছাত্রনেতা, মধ্যবিত্ত, উকিল, ব্যারিস্টার, ডাক্তার-মোক্তার, ব্যাংকার, কবি-সাহিত্যিক, এ্যাকাউন্ট্যান্টে, আর্কিটেক্ট, সামরিক-বেসামরিক উচ্চপদস্থ আমলারা কেন এত পাগল? সেখানে গিয়ে ঋণ করে খাওয়ার জন্য, সেখানে গিয়ে ছেলে পিলেদের খাবার দিতে গিয়ে নিজে না খেয়ে থাকার জন্য, সেখানে গিয়ে কোন সঞ্চয় না করার জন্য? অনেক প্রশ্ন। দুই-একটা উত্তরও আছে। যারা যায় তারা শুধু যায় না, তারা ‘লোটা-কম্বল’ নিয়েই যায়। কাজেই ভাতের অভাব হওয়ার কথা নয়। সঞ্চয়েরও দরকার নেই। কম্বল ঝাড়া দিলেই ডলার পাওয়া যায়। দ্বিতীয় কথা সেখানে টাকা সঞ্চয় না করলেও চলে। রাষ্ট্র বৃদ্ধ বয়সে খাওয়ায়, বৃদ্ধ বয়সে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। এসব কথা শুনি। তাহলে এ প্রশ্ন কেন যে মধ্যবিত্ত বাবা-মাকে শিশুর দুধের জন্য একবেলার খাবার পরিত্যাগ করতে হয়। কত কথা তাদের সম্বন্ধে। চাকরির কোন অভাব নেই। আবার দেখি দুদিন পরপর দশ শতাংশ, পনেরো শতাংশ, পাঁচ শতাংশ লোক বেকার। এসবের অর্থ বুঝি না। তবে একটা কথা বোঝা যায় ওখানে এক টাকা রোজগার করলে বাংলাদেশে তা ৮০ টাকা হয়। টাকাই টাকা। এক ডলারে ৮০ টাকা কিন্তু মধ্যবিত্তের টাকা বাংলাদেশে আসে না বলেই অনুমান। টাকা পাঠায় কৃষকের ও শ্রমিকের ছেলেরা, যারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কাজ করে। তারা দেশেও ফিরে আসে। দুই দেশের পাসপোর্ট হোল্ডাররা এখানকারটাও খায়, ওখানকারটাও খায়। কেউ কিছু বলে না।

বুঝলাম, আমেরিকায় না হয় সঞ্চয় না থাকলেও চলে। একথাই বাকী করে বলি। কারণ দেখা যাচ্ছে সঞ্চয় না থাকায় তারাই এখন উদ্বেগ প্রকাশ করছে। তবু ধরে নিলাম ওদের সঞ্চয় লাগে না, রাষ্ট্র অনেক কিছু দেখাশোনা করে। কিন্তু আমরা? আমাদের কী অবস্থা? আমাদের কী-সঞ্চয় ছাড়া চলবে? আমি মনে করি না। আমাদের রাষ্ট্র ‘কিল দেবার গোঁসাই, ভাত দেবার নয়’। ভাত কিছুটা গরিবদের, অতিদরিদ্রদের দিতে পারে। কিন্তু নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্তের ভাত কে দেবে? অসুখে-বিসুখে কে দেখবে তাকে? প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি হলে তাকে জোর করে দুদিনের জায়গায় দশদিন রেখে যে দুই লায় টাকার বিল ধরিয়ে দেবে তার টাকা কে দেবে? মেডিক্যাল টেস্টের টাকা কে দেবে? ভাল স্কুলে পড়ার জন্য টাকা কে দেবে? রাষ্ট্র এসব দায়িত্ব নেবে না। ধনীরা, ব্যবসায়ীরা রাষ্ট্রের আপনজন, বন্ধু। অতি দরিদ্ররা ক্ষেপে যেতে পারে এই ভয়ে তাদের কিছুটা খাতির করতে হয়। এটা বাজার অর্থনীতির ‘কাফ্ফারা’। শোষণ করলে কিছুটা আদরও করতে হয়- দুই কেজি চাল দিয়ে। কিন্তু মধ্যবিত্ত? তার জন্য সামাজিক নিরাপত্তা নেই। তার সঞ্চয়ই একমাত্র উপায়। সে কিছু কিছু সঞ্চয় করবে, তা ব্যাংকে রাখবে, সঞ্চয়পত্র কিনবে। শেয়ার বাজার বস্তুত মধ্যবিত্তের নয়। বড়ই গোলমেলে বাজার। তুলেমূলে সব যায়।

আর কোথায় সঞ্চয় করবে? সঞ্চয়ের জায়গা নেই। কিডনির সমস্যা হলে, ক্যান্সারের পেশেন্ট হলে, হার্টের রোগী হলে কে দেখবে তাকে? একজন স্পেশালিস্ট ডাক্তারের ফি হাজার টাকা। যতবার যাবেন ততবার হাজার টাকা- কোন রেয়াত নেই। অতএব আমেরিকার মতো আমাদের লোকদের ব্যাংক এ্যাকাউন্ট না থাকলে চলবে না, তাদের মতো আমাদের সঞ্চয়পত্র না থাকলে চলবে না। আমাদের সঞ্চয় লাগবে। চীন, ভারত, শ্রীলঙ্কার সঞ্চয় হার আমাদের চেয়ে বেশি। তারা বেশ এগিয়েও তাই। আমাদের সঞ্চয়ের হার খুবই নিচু। খারাপ খবর সঞ্চয়ের পরিমাণ এক জায়গায় আটকা। জাতীয় সঞ্চয়ের হার ২০১০-১১ সালে ছিল ২৮ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে এর পরিমাণ হ্রাস পেয়ে হয় ২৮ দশমিক ১ শতাংশ। মাভৈঃ। কী পারফরম্যান্স এই ক্ষেত্রে! এর প্রতিফলন দেখা যায় বেসরকারী বিনিয়োগে। ২০১০-১১ থেকে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের মধ্যে বেসরকারী খাতের বিনিয়োগ দশমিক সাত শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ছিল ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ। হ্রাস পেয়ে হয়েছে ১৮ দশমিক ৮ শতাংশ। এরপরও খবর আছে। বেসরকারী সঞ্চয়ের একটা বড় অংশ বিখ্যাত ‘ফোর টুয়েন্টিরা’ মেরে দিচ্ছে। ‘ডেস্টিনি’, ‘যুবক’, যশোরের ‘কাজল ব্রাদার্স’ ইত্যাদি তার উদাহরণ। এতদসত্ত্বে¡ও এদেশের মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত কষ্ট করে হলেও কিছুটা সঞ্চয় করার চেষ্টা করে। পোস্ট অফিসে অথবা ব্যাংকের ব্রাঞ্চে গেলে দেখা যাবে পর্দানশিন মহিলারা পর্যন্ত লাইন দিয়ে বসে আছেন পরিবার সঞ্চয়পত্র কেনার জন্য, এর ওপর থেকে সুদের টাকা তোলার জন্য। আর যাই হোক মানুষ সঞ্চয়ের অভ্যাস বেশ কিছুটা গড়ে তুলেছে। এর ফলে ব্যাংকে এখন মেয়াদী আমানতের পরিমাণ ৮০-৮২ শতাংশ। তলবী আমানত কম। পাকিস্তান আমলের তুলনায় ঠিক উল্টো। এই সঞ্চয় অভ্যাসটাকে নষ্ট করে আমেরিকানদের মতো আমাদের ঋণে জর্জরিত জাতিতে পরিণত করতে একশ্রেণীর লোক উঠেপড়ে লেগেছে বলে মনে হয়। এর মধ্যে দুই দেশের পাসপোর্টহোল্ডারদের কেউ কেউ আছে বলে দৃশ্যমান। এ ধরনের লোক কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আছে। সরকারে আছে। ব্যবসায়ীরা তো আছেনই। দেখা যায় এক শ্রেণীর প-িত, বিশ্বব্যাংকের নিচ স্তরে কাজ করা কিছু লোক, নানা কারণে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের কেউ কেউ সুযোগ পেলেই ব্যাংক আমানতের ওপর চড়াও হয়, সঞ্চয়পত্রের ওপর চড়াও হয়। বিশেষ করে সুদের হারের ওপর। তারা বলে এতে নাকি বাজার অর্থনীতি নষ্ট ও প্রতিযোগিতা নষ্ট হয়। আরও কত যুক্তি। এদের কাজই হলো বাংলাদেশকে আমেরিকা বানানো যেখানে লোকের সঞ্চয় থাকবে না। জরুরী প্রয়োজনে যেখানে তাদের ঋণ করতে হবে। তা না হলে কী করে বলা হয় ব্যাংক আমানত, সঞ্চয়পত্র ও কোম্পানির শেয়ার তুল্য কোন প্রোডাক্ট? বলাই বাহুল্য, এই তিনটি প্রোডাক্ট আকারে-প্রকারে, বৈশিষ্ট্যে ও তারল্যে ভিন্ন বস্তু। আর বাজার অর্থনীতি কী শুধু এই ক্ষেত্রেই? ব্যবসায়ীদের ভর্তুকিতে ঋণ দেয়া, রফতানিতে ভর্তুকি দেয়া, যারা উৎপাদনমূলক কোন কাজে জড়িত নয় তাদের বোনাস দেয়া, যেখানে কোন প্রতিযোগিতা নেই সেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মচারীকে বোনাস দেয়া, ঋণ দিয়ে কনসালটেন্সির নামে বিরাট অঙ্কের টাকা বিশ্বব্যাংক জাতীয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশে নিয়ে যাওয়া- এসব কী বাজার অর্থনীতি? সব ব্যাংক মিলে একই সুদ নির্ধারণ করা কী বাজার অর্থনীতি? এসব প্রশ্ন তুলে রাখলাম। ভবিষ্যতে আরও আলোচনা করব। সবচেয়ে বড় কথা আজ থেকে ৭-৮ বছর আগে মার্কিন অর্থনীতি ধসের কালে সে দেশের সরকার যে ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার ‘প্যাকেজ ডিলের’ নামে বাজারে ছাড়ল সেটা কোন বাজার অর্থনীতি ছিল?

লেখক : ম্যানেজমেন্ট ইকোনমিস্ট ও

সাবেক শিক্ষক, ঢাবি