১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সামাজিক মাধ্যমে প্রাণনাশের হুমকি ॥ যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেফতার সন্দেহভাজন

যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি ইউনিভার্সিটির পুলিশ বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রাণনাশের এক সন্দেহভাজন হুমকিদাতাকে গ্রেফতার করেছে। তার নাম হান্টার এম পার্ক, বয়স ১৯ বছর। সামাজিক নেটওয়ার্কে বর্ণবাদী হামলার উস্কানি দেয়ার জন্য তার বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী হুমকি’র দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। খবর ওয়াশিংটন পোস্ট অনলাইনের।

গ্রেফতারের পর বুধবার গভীর রাতেই পার্ককে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে বলে স্থানীয় বুন কাউন্টির প্রসিকিউটর এ্যাটর্নি ড্যানিয়েল নাইট জানিয়েছেন। তিনি কি ধরনের হুমকি দিয়েছেন তার বিস্তারিত পুলিশ প্রকাশ করেনি। ‘আগামীকাল আমি বন্দুক নিয়ে মাঠে নামব, এরপর কৃষ্ণাঙ্গ কাউকে দেখা মাত্রই আমি গুলি করব’ অজ্ঞাত সূত্রে পাওয়া এই বার্তায় কলাম্বিয়ায় অবস্থিত ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে মঙ্গলবার রাতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এতে আরও বলা হয়, ‘তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ নিরাপদ থাকবে, তবে আমার হুঁশিয়ারি হলো আগামীকাল তোমরা কেউ ক্যাম্পাসে যেয়ো না। পার্কিং এলাকায় আমরা তোমাদের অপেক্ষায় থাকবো।’ আরেকটি বার্তায় বলা হয়, ‘আমরা তোমাদের হত্যা করব।’ সোশ্যাল নেটওয়ার্কে হুমকি দেয়ার জন্য এদিন কনোর স্টটলমেয়ার নামে একজন নতুন ছাত্রকেও পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তিনিও কৃষ্ণাঙ্গদের টার্গেট করে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছিলেন। ইউনিভার্সিটির মুখপাত্র মার্ক হর্নিকেল ওয়াশিংটন পোস্টকে এ কথা বলেছেন। মিসৌরি ইউনিভার্সিটির পুলিশ জানিয়েছে পার্ক মিসৌরি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনি সেখানে কম্পিউটার বিষয়ে অধ্যয়ন করছিলেন। মিসৌরি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এ্যান্ড টেকনোলজির চ্যান্সেলর চেরিল শারডার বলেছেন, ‘কোন ধরনের সহিংসতার হুমকি সহ্য করা হবে না। ক্যাম্পাসে ঘটনার বিস্তার ঘটতে দেয়া হয়নি জেনে আমি সন্তুষ্ট। পুলিশ বিভাগ যেভাবে দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে তার জন্য পুলিশ দফতরকে আমি ধন্যবাদ জানাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘ছাত্রছাত্রী ও স্টাফদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবচেযে গুরুত্বপূর্ণ।’

সৌদিতে ৮৫ ভাগ প্রকৌশলীই বিদেশী

সৌদি আরবের প্রকৌশল খাতে যারা কাজ করেন, তাদের ৮৫ শতাংশই বিদেশী নাগরিক। সৌদি সরকার এ অবস্থা কাটিয়ে ওঠার পথ খুঁজছে বলে সৌদি গেজেটের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। দেশটির শ্রম মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরবে নিবন্ধিত প্রকৌশলীর সংখ্যা দুই লাখ। মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ এ দেশটি অনেক ক্ষেত্রেই বিদেশী কর্মীদের ওপর নির্ভরশীল। তিন কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ৯০ লাখই বিভিন্ন দেশ থেকে জীবিকার তাগিদে সেখানে অবস্থান করছেন।

শ্রম মন্ত্রণালয় প্রকৌশল খাতে সৌদি নাগরিকদের জন্য যে কোটা নির্ধারণ করে দিয়েছে তা অন্যান্য খাতের চেয়ে বেশি। তারপরও ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালটেশন অফিসগুলোর আয়তন ছোট হওয়ায় এবং প্রত্যেকের আলাদা আলাদা লাইসেন্স থাকায় প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও অফিস বড় করার অর্থ তারা পায় না। সৌদি ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রাজুয়েটের সংখ্যা খুবই কম হওয়াও এ ক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা বলে জানিয়েছেন ন্যাশনাল কমিটি ফর ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালটেশন অফিসের সদস্য খালিদ আল-ওথমান। এ খাতে সৌদি নাগরিকদের সংখ্যা বাড়ানোর পথ খুঁজতে শ্রমমন্ত্রী মুফরেজ আল-হাকবানি, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী তৌফিক আল-রাবিয়াহ এবং সৌদি কাউন্সিল অব ইঞ্জিনিয়ার্স এর সদস্যরা । -ওয়েবসাইট