২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মমতাকে সোনিয়ার দীপাবলির শুভেচ্ছা ॥ নতুন জল্পনা শুরু

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল-বিরোধী ফ্রন্ট গঠনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে রাজ্যস্তরে কংগ্রেস ও বাম নেতারা যখন নিজেদের মধ্যে আলাপ আলোচনা চালাচ্ছেন, তখন বুধবার বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে টেক্সট করে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানান কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। কংগ্রেস সভানেত্রীর ব্যক্তিগত নম্বর থেকে সেই বার্তা পেয়ে তৎক্ষণাৎ প্রতি-শুভেচ্ছা জানান মমতাও। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

রাজনীতিতে এ রকম সৌজন্য আদান প্রদান হয়েই থাকে। তবে সৌজন্যের বার্তার পরতেও লুকিয়ে থাকে সমীকরণের অঙ্ক। তাই নিতান্ত সৌজন্যমূলক এই শুভেচ্ছা বার্তাকেও সরলরেখায় দেখছে না রাজনৈতিক শিবির। তাদের মতে, বিহার ভোটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহ জুটি পর্যুদস্ত হওয়ার পর সোনিয়ার এই সৌজন্য অর্থবহ। কারণ তিনি ভাল করেই জানেন জাতীয় স্তরে মোদি বাহিনীকে রুখতে ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলোর মধ্যে সুষ্ঠু বোঝাপড়া রাখা দরকার। রাজ্য স্তরে যদিও ছবিটা অন্যরকম। সেখানে কংগ্রেসের বেশিরভাগ নেতাই বিধানসভা ভোটে তৃণমূলকে রুখতে বামদের সঙ্গে সমঝোতা চাইছেন। রাজ্য কংগ্রেস তৃণমূলকে দূরে রাখলেও কংগ্রেস কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে কিন্তু তৃণমূলের গুরুত্ব রয়েছে। কারণ তাদের চোখে জাতীয় স্তরে বামেরা ক্ষয়িষ্ণু শক্তি। তাই দিল্লীর কংগ্রেস নেতাদের মতে, পার্লামেন্টের আসন্ন অধিবেশনে কেন্দ্রকে চাপে ফেলতে তৃণমূলের সঙ্গে সুষ্ঠু সমন্বয় উপযোগী হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে লোকসভায় কংগ্রেস সংখ্যার দিক থেকে দুর্বল। এদিকে বিপদের আঁচ পাচ্ছে বিজেপিও।

তামিলনাড়ুতে বন্যায় ২৭ জনের মৃত্যু

ভারতের তামিলনাড়ুর রাজ্যের কুদ্দালোরে জেলায় দুইদিনের বৃষ্টিতে সৃষ্টি হওয়া বন্যায় ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর ওয়েবসাইটের।

এক বিবৃতিতে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, চেন্নাই থেকে ২৩০ কিলোমিটার দূরে কুদ্দালোরে জেলায় বন্যার কারণে ২৭ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। সেখানে ত্রাণ তৎপরতা পুরোদমে চলছে বন্যায় মৃতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে চার লাখ রূপী করে দেয়া হয়েছে। তবে দুইদিনে জেলাটিতে বন্যায় মৃতের সংখ্যার কোন আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান এখনও জানা সম্ভব হয়নি। বেসরকারীভাবে বিভিন্ন সূত্রের হিসেব অনুযায়ী প্রায় ৪০ জন মানুষ বন্যায় মারা গেছেন বলে জানা গেছে। মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার দেয়া বিবৃতি অনুযায়ী অক্টোবর-ডিসেম্বর পর্যন্ত অঞ্চলটিতে সাধারণত ৬৯৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। কিন্তু চলতি বছরে এরই মধ্যে ৫০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। যার কারণে প্রবল বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্য সরকার কুদ্দালোরে জেলার গ্রামগুলোতে বিদ্যুত সরবরাহ পুনরায় চালুর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। ভারি বৃষ্টির কারণে ডিজেলচালিত জেনারেটরের মাধ্যমে সরবরাহ করা বিদ্যুত ব্যবস্থায় বিঘœ ঘটছে।