১৮ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আজ লন্ডনে শুরু হচ্ছে ই-কমার্স ফেয়ার

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশে ই-কমার্সকে জনপ্রিয় করতে আগামী ১৩ ও ১৪ নবেম্বর লন্ডনে আয়োজন করা হচ্ছে দ্বিতীয় ইউকে-বাংলাদেশ ই-কমার্স ফেয়ার ২০১৫। পূর্ব লন্ডনের ওয়াটারলিলি কনভেনশন সেন্টারে বসছে এবারের মেলা।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের মেলাতে ৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য ও সেবা প্রদর্শন করবে। আশা করা যাচ্ছে, এবারের মেলাতে প্রায় ৫০ হাজার দর্শনার্থীর আগমন ঘটবে। এ ছাড়াও পাঁচ হাজার পেশাজীবী তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন। মেলাতে ই-কমার্স ওয়েবসাইট, ই-গভ. সার্ভিস, ক্রেডিট কার্ড এ্যান্ড পেমেন্ট সার্ভিস, ব্যাংকিং সার্ভিস, ই-এডুকেশন, সফটওয়্যার এ্যান্ড হার্ডওয়্যার, রিয়েল এস্টেট, টেলিকম, কুরিয়ার/ডেলিভারি সার্ভিস, এয়ারলাইন্স, ট্যুরিজম-ট্রাভেল এ্যান্ড হোটেল, ফ্যাশন হাউসসহ অন্যান্য ই-সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বিশেষ অতিথি থাকবেন হাউস অব লর্ডসের ব্যারনেস পওলা মনজিলা উদ্দিন, এএপিজি অন কারি ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান পল সুলি, এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট আবদুল মাতলুব আহমাদ, এনআরবি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ ওবিই। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখবেন লন্ডনে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আব্দুল হান্নান। এ ছাড়া কম্পিউটার জগতের সিইও আব্দুল ওয়াহেদ তমাল এবং আইসিটি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব হারুনুর রশিদ আলোচনায় অংশ নেবেন। মেলায় ই-কমার্স বিষয়ক পাঁচটি সেমিনার থাকছে। এর পাশাপাশি থাকবে বিটুবি, বিটুসি, জিটুবি বিষয়ক আলাদা সেশন এবং নেটওয়ার্কিং ডিনার।

ঠাকুরগাঁওয়ের সবজি করলা চলে যাচ্ছে দেশের বাইরে

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঠাকুরগাঁও ॥ শীতের আগাম সবজি করলার চাষ করে সচ্ছলতার মুখ দেখেছেন ঠাকুগাঁওয়ে এক সময়ের বেকার যুবক মেহেদী আহসানসহ অনেকেই। ঠাকুরগাঁওয়ে উৎপাদিত করলার ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি হওয়ায় তা চলে যাচ্ছে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলা ও দেশের বাইরে। মেহেদী বর্তমানে জেলার একজন প্রথম স্থানের মডেল কৃষকে পরিণত হয়েছেন।

মৌসুমের এ সময় ইতোপূর্বে কৃষকের অনাবাদি জমিতে তেমন কোন চাষাবাদ হতো না এবং কৃষি শ্রমিকদের বেকার সময় কাটাতে হতো। ইতোমধ্যে লাভজনক হওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষকের মাঝে করলা চাষে ব্যাপক আগ্রহ বাড়ছে। ইতোমধ্যে জেলার অসংখ্য কৃষকের ক্ষেতে ভাত করলা, হাইব্রিড ও দেশীয় জাতের করলার আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। মৌসুমের শুরু থেকে এসব ক্ষেত থেকে প্রতিদিনই সংগ্রহ হচ্ছে ১০ থেকে ১২ হাজার মণ করলা। এ করলা বিক্রি করে খরচ বাদে বিঘা প্রতি চাষিরা লাভ করছেন দেড় থেকে ২ লাখ টাকা। জেলার ১শ’ হেক্টর জমিতে আবাদকৃত করলার বাগানে প্রতিদিন প্রায় ৫ শতাধিক কৃষি শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চামেশ্বরী গ্রামের বেকার যুবক মেহেদী আহসান পড়ালেখা শেষ করে অনেকদিন চাকরির পেছনে ঘুরে প্রথমে এক একর জমিতে ৪ জাতের কুল চাষ করেছেন। কুল চাষে সাফল্য পেয়ে এবার তিনি প্রায় ৫ একর জমিতে করলার আবাদ করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন।