১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উবাচ

বীরের বেশে!

স্টাফ রিপোর্টার ॥ তিনি তারেক রহমান বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। ভাইয়া নামে বিশেষভাবে পরিচিত তিনি। যদিও রাজনীতিটুকু তিনি দেশের বাইরে বসেই করছেন। লন্ডন থেকে তরঙ্গ মাধ্যমে এই ভাইয়া সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। দেশে তার নামে একাধিক মামলা। এসব মামলায় তিনি হাজিরা না দিলেও বেকসুর খালাস পান। আবার সেই বিচারকও হেবি দিলখুস, রায় দিয়েই বিদেশে পাড়ি জমান। সেখানে বাহারি জীবনযাপন করেন। এসব নাকি আবার ভাইয়ারই আশীর্বাদে হয়ে থাকে। সুতরাং বুঝতে হবে দেশে ভাইয়ার প্রভাব কতটা। তো এই ভাইয়া দেশে আসছেন না কেন। তিনি বিদেশে বসে কি করছেন। এত যদি দেশকে দেশের মানুষকে ভালবাসেন তাহলে সুদূর পরবাসে ভাইয়া কি করছেন। দেশের মানুষকে ভালবাসতে গিয়ে মামলা হামলার স্বীকার হলে তো দেশের মানুষই তার পাশে দাঁড়াত। তিনি যদি দেশের মানুষের কথা সকাল-বিকেল ও সন্ধ্যারাতে ভাবেন তাহলে তো দেশের মানুষ কোন না কোন সময়ে তাকে মনে করত। তিনি তাও কেন দেশে আসছেন না? তার দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন তিনি দেশের কথা ভাবতে ভাবতে পেরেশান। তো ভাইয়া কি ভাবেন? কি না ভাবছেন? ভাইয়া ঢাকা শহরের যানজট নিয়েও ভাবেন। এই যে রাজধানীর মানুষ রিক্সায়, বাসে সিএনজিতে, ঠেলাগাড়িতে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বেকার নষ্ট করেন। এসব ভাবেন। মূল্যবান সময়ের অপচয় হয়ে যাচ্ছে। ভাইয়া দেশের দায়িত্ব নিলে এসব আর থাকবে না। এতই যখন ভাবনা ভাইয়া কেন আসছেন না, কেন এতদিনে? সেখানেও নজরুল ইসলাম খান বলছেন ভাইয়া আসলে বীরের বেশে আসবেন। বিড়ালের বেশে লুকিয়ে চুরিয়ে নয়। সঙ্গত কারণে ভাইয়ার বীর হয়ে ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। ভাইয়া কবে বীর হবেন এমন প্রশ্ন কেউ জিজ্ঞেস না করলেও নজরুল ইসলাম খান বলেছেন ‘তার চিকিৎসা চলছে।’

ভাল লাগছে না

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কিছু হলেই রক্তের নহর বইয়ে দেও। মানুষ মার-পোড়াও এসব আর কত দিন? পিচ ঢাকা কালো রাস্তায় সাধারণ মানুষের রক্তের ছোপ ছোপ দাগ। সেই রক্ত মাড়িয়ে ক্ষমতার গদি। এমন আন্দোলন থেকে মুক্তি মিলবে কবে? দেশের রাজনীতিবিদরা উন্নত দেশের গণতন্ত্রের উদাহরণ দেয় কথায় কথায়। কিন্তু মনে মনে কামনা করে লাশ পড়ুক মানুষ মরুক। যারা কি না ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু থেকে বহু দূরে। বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশের বাইরে থাকায় দেশে জঙ্গী রাজনৈতিক আন্দোলন কমে এসেছে। কিন্তু মেজর (অব) হাফিজের বিষয়টি একেবারে ভাল লাগছে না। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘কত দিন এভাবে সভা-সমিতি করে বেড়াব? আমরা অপেক্ষায় আছি, কবে নেত্রী দেশে আসবেন? তিনি আসলে কর্মসূচী দিয়ে আমরা এ সরকারের মরণ ঘণ্টা বাজিয়ে দেবে।’ হাফিজ এক আলোচনা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই দাবি করে হাফিজ উদ্দিন বলেন, অনেকগুলো টিভি-চ্যানেল বন্ধ। এগুলোর আলামত দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই। তাহলে হাফিজ সাহেব বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে গিয়ি মধ্যরাতে মানুষকে এত যে জ্ঞানের বানী শোনান সেখানে কী উনার মতামতের প্রকাশ ঘটে না। যদি মতের প্রকাশ নাই ঘটে তাহলে উনি সেসব জায়গায় কথা বলেন কেন?