১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ান

  • স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা হত্যাকারী, সন্ত্রাস-নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রূখে দাঁড়ানোর জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, যারা টানা ৯২ দিন ধরে সরকারবিরোধী আন্দোলনের নামে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করেছে, তারাই এখন গুপ্তহত্যা শুরু করেছে। সরকার উৎখাতে মানুষ পুড়িয়ে হত্যায় সফল না হয়ে এখন দেশে গুপ্তহত্যা শুরু হয়েছে। যখন তারা দেখল দেশের মানুষকে খুন করে সরকার উৎখাত করা যায় না, তখন তারা বিদেশী মানুষকে হত্যা করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাচ্ছে। যারা এদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, মুক্তিযুদ্ধ চায়নি, যারা ক্ষমতায় থেকেও এদেশের মানুষের উন্নতি করেনি- তারাই এখন এগুলো করছে। দেশ যখন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তখনই এগুলো করা হচ্ছে। এই মানুষ হত্যার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। হতদরিদ্র নাগরিকদের সেবা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসা একটি মহৎ পেশা। তাই হতদরিদ্র মানুষ যেন সেবা ও চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হয় সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। কি পেলাম, আর কি পেলাম না- তা চিন্তা না করে দেশের মানুষকে কতটুকু দিতে পারলাম, সেটাই বড় কথা। রোগীদের সঙ্গে ভাল ব্যবহারের তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, ওষুধের থেকে চিকিৎসকদের একটু ভাল ব্যবহার রোগীর মনে বিশ্বাস আনতে পারে, অর্ধেক সুস্থ করে তুলতে পারে।

শুক্রবার ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) চতুর্থ জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। দীর্ঘ এক যুগ পর আওয়ামী লীগের এই সহযোগী সংগঠনের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চিকিৎসকদের যেন মিলনমেলা বসেছিল। সারাদেশ থেকে প্রায় ১৯ সহস্রাধিক চিকিৎসক এই সম্মেলনে অংশ নেন। সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও সংলগ্ন এলাকাকে ব্যানার-ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ডসহ বর্ণাঢ্য সাজে সজ্জিত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মেলনস্থলে পৌঁছলে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয় এবং জাতীয় ও সংগঠনের পতাকা তোলা হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার কঠোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন আছে, তেমনি মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগও আছে। বিএনপি নেত্রী খালেদা আন্দোলনের নামে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করেছেন, এখন শুরু করেছেন গুপ্তহত্যা। উনি দেশে আন্দোলন সফল করতে না পেরে বিদেশে চলে গেছেন। সেখানে বসে তিনি দেশে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছেন। দেশ যখন অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তখনই এ ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। যারা মানুষ হত্যা করছে, দেশের ক্ষতি করছে তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবেই। ইতোমধ্যে দেশ নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে। তবে আমরা জাতির জনকের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। আমরা নিম্নও থাকতে চাই না। বিশ্বের বুকে আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াব। ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করব। আর ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করবই। আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।

প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে আরও দুটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনসহ সারাদেশে আরও ১০ হাজার নার্স নিয়োগ দেয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, চিকিৎসা সেবা উন্নত করার পাশাপাশি গবেষণা বাড়াতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। স্থাপন করা হচ্ছে আরও দুটো নতুন মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষই উন্নত জীবন যাতে পায় সরকার সে চেষ্টা করে যাচ্ছে। সবারই চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রয়েছে। হতদরিদ্র জনগোষ্ঠী যেন দেশে চিকিৎসা বঞ্চিত না হন সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। অর্থাভাবে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত না হওয়ার ব্যাপারে চিকিৎসকদের অবশ্যই মনোযোগী হতে হবে।

তিনি বলেন, স্বাচিপের সদস্যরা জনকল্যাণে কাজ করবেন। সাধারণ মানুষকে সেবা দেবেন। মানুষের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করবেন। ভালভাবে তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। চিকিৎসার জন্য আসা রোগীর কাছে একজন চিকিৎসকের আচরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওষুধের চেয়ে একজন ডাক্তারের ইতিবাচক আচরণ রোগীকে অর্ধেক সুস্থ করে তোলে। চিকিৎসকদের কাছ থেকে ভাল আচরণ পেলে কোন রোগী দ্রুত সুস্থ হওয়ার ব্যাপারে আস্থা পায়। তিনি বলেন, মানুষের কল্যাণ ও সেবার প্রতি খেয়াল রেখে তাদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। সরকার জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। এই কর্মসূচী সফল করতে চিকিৎসকদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের সময় দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, আমরা স্বাস্থ্য সেবা দেশের মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই। তৃণমূল পর্যায়ে ১৩ হাজার ৮শ’ হেলথ কমিউনিটি ক্লিনিক করেছি। প্রথমবার ক্ষমতায় এসে এই হেলথ কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করি। পরে বিএনপি ক্ষমতায় এসে তা বন্ধ করে দেয়। বন্ধ করে দেয়ার পেছনে কারণ দেখিয়েছিল এই কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে মানুষ স্বাস্থ্য সেবা পেলে, ফ্রি ওষুধ পেলে সবাই নৌকায় ভোট দেবে। মানুষ বিএনপিকে ভোট দেবে না। তাই তারা ক্লিনিক বন্ধ করে দেয়।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা ভোটের জন্য কাজ করি না। মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করি। আমরা আইন করে দেব- সরকারে যেই থাকুক এসব হেলথ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো যাতে আর কেউ বন্ধ করতে না পারে। কারণ আমরা যখন কোন উন্নয়ন করি, চিকিৎসা সেবা দেই তখন কে ভোট দিল আর কে দিল না সেই চিন্তা করি না। মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখি, মানুষের জন্য কাজ করি আর তাদের জন্যই রাজনীতি করি। কি পেলাম আর কি পেলাম না সেই চিন্তা না করে দেশকে কতটুকু দিতে পারলাম দেশের মানুষকে কতটুকু দিতে পারলাম সেটাই চিন্তা করতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা প্রতিটি হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি করেছি, চিকিৎসা সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। হাসপাতালও বৃদ্ধি করেছি। মেডিক্যাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি করেছি। ৩৪৫টি নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করেছি। চিকিৎসক, নার্সের সংখ্যা বাড়িয়েছি। নার্সদের বিদেশে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি। মেডিক্যাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১২ হাজার ৪শ’ আসন বৃদ্ধি করা হয়েছে। ৫ হাজার নার্স নিয়োগ দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই বাংলাদেশ আমরা স্বাধীন করেছি। এর প্রতি আমাদের অনেক দায়বদ্ধতা আছে। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু আমাদের চ্যালেঞ্জ ছিল। আমরা সে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে কাজ শুরু করেছি। পদ্মা সেতু নিয়ে বিশ্বব্যাংকের অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। দেশের বিরুদ্ধে যত ষড়যন্ত্রই হোক, দেশকে আমাদেরই এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আন্তর্জাতিকমানে দেশকে নিয়ে যেতে আমাদেরই কাজ করতে হবে। স্বাচিপের সম্মেলন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করার পাশাপাশি কাউন্সিলরদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের চতুর্থ জাতীয় সম্মেলন সফল হোক। আপনারাই আপনাদের নেতা নির্বাচন করুন।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করতে না পেরে বিএনপি-জামায়াত নানা ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করছে। তবে কোন ষড়যন্ত্রই দেশের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। তিনি বলেন, ২০১৯ সালের আগে নির্বাচন হবে না। ষড়যন্ত্রের পথ পরিহার করে আগামী নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করার জন্য তিনি বিএনপির প্রতি আহ্বান জানান।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ২০০৬ ও পরবর্তী দুই বছরে সেনা সমর্থিত সরকারের সময়ে চিকিৎসকদের কর্মকা-ের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী যখন কারাগারে, তখন আমাদের সাহায্য করতে সবচেয়ে প্রথম এগিয়ে আসেন চিকিৎসকরা। যে সময় রাজনীতির ওপর বিধিনিষেধের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, প্রকাশ্য কোন বৈঠকের সুযোগ ছিল না। তখন এগিয়ে আসেন বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। আমরা শিক্ষকদের ঘরে, এমনকি ওয়ার্ডেও সভা করেছি।

স্বাচিপের সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডাঃ মোদাচ্ছের আলী, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান ভুইয়া ডাবলু, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন প্রমুখ। উদ্বোধনী অধিবেশনে বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করেন সংগঠনের মহাসচিব অধ্যাপক ডাঃ ইকবাল আর্সলান। এছাড়া সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির কো-চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোঃ মনিরুজ্জামান ভূইয়া, সদস্য সচিব ইহতেশামুল হক চৌধুরী, কো-চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। শোক প্রস্তাব পাঠ করেন সংগঠনের দফতর সম্পাদক চিত্ত রঞ্জন দাস এবং সম্মেলন প্রস্তুতি অভ্যর্থনা উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডাঃ শফিকুর রহমান ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

দ্বিতীয় অধিবেশনে হট্টগোল, সম্মেলন মুলতবি ॥ সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনেও স্বাচিবের দুই সভাপতি প্রত্যাশী ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন ও অধ্যাপক ডাঃ ইকবাল আর্সলানের সমর্থিত চিকিৎসকরা এই দুই নেতার নামে সেøাগান দিতে থাকলে কিছু উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেখ ফজলুল করিম সেলিম তার বক্তব্যের সময় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, এখানে কোন ভাইয়ের নামে সেøাগান চলবে না। সেøাগান হবে শুধু বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বেলা দুইটার দিকে নতুন নেতৃত্বের জন্য দ্বিতীয় কাউন্সিল অধিবেশন শুরুর কথা ছিল। নতুন নির্বাচনে ভোটের পক্ষে-বিপক্ষে আগে থেকেই বিভক্ত ছিল দুই সভাপতির সমর্থিত চিকিৎসকরা। কিন্তু দুপুর দুইটা বেজে গেলেও স্বাচিপের বর্তমান কমিটির সভাপতি সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ আ ফ ম রুহুল হক কাউন্সিলস্থলে না আসলে কিছুটা উত্তেজনা দেখা দেয়। সভাপতির অনুপস্থিতিতে সিনিয়র সহ-সভাপতিকে দিয়ে দ্বিতীয় কাউন্সিল শুরুর তৎপরতা চললে তাতে ডাঃ মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন সমর্থিত চিকিৎসকরা বাধা দেন।

এরপর বেলা আড়াইটার দিকে রুহুল হক আসলে তাকে নিয়ে কাউন্সিল শুরু করা হয়। কিন্তু বেলা পৌনে তিনটার দিকে সভাপতি পদপ্রার্থী মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন সমর্থিত চিকিৎসকরা মঞ্চে উঠে মাইক বন্ধ করে দেয়। এ সময় কিছুটা হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে দ্বিতীয় কাউন্সিল স্থগিত রেখে দলের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত নিয়েই পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানানো হবে বলে দায়িত্বরত নেতারা সম্মেলন মুলতবি রেখেই স্থান ত্যাগ করেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদেশ থেকে আগত চিকিৎসক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত জানার জন্য অপেক্ষা করেন।