২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শুরুর বিপদ কাটিয়েছেন তামিম

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ টি২০ ক্রিকেটের জন্য খুব বড় কোন লক্ষ্য নয়। সে কারণেই হয় তো ধীরস্থির হয়েই খেলেছেন তামিম ইকবাল। চিরাচরিতভাবে ব্যাট হাতে মেজাজটা বেশ চড়া ধরনের এ বাঁহাতি ওপেনারের। কিন্তু জিম্বাবুইয়ের বিপক্ষে প্রথম টি২০-তে শুরু থেকেই সতর্কভাবেই ব্যাট চালিয়েছেন তিনি। দলকে জয়ের ঠিকানা পাইয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে ৩১ রানের একটি উপযোগী ইনিংস উপহার দিয়েছেন। ২৮ বলে মাত্র ৩ চারে এ রান করে বাংলাদেশের পঞ্চম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হয়ে গেছেন। তবে এটিই ছিল এদিন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস।

যতক্ষণ উইকেটে তামিম, ততক্ষণ পর্যন্ত আশাটা টিকেই থাকে। আর একজন ওপেনার হিসেবে ব্যাটিং করতে নেমে দীর্ঘক্ষণ ব্যাট চালিয়ে যাওয়াটা প্রতিপক্ষের জন্যও নিশ্চিতভাবে অশনি সঙ্কেত। অবশ্য জিম্বাবুইয়ের বিপক্ষে প্রথম টি২০-তে ব্যাটিং করতে নামার পর প্রথম বলেই উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে এসে মারতে চেয়েছিলেন পেসার তিনাশে পানিয়াঙ্গারাকে। কিন্তু সেটা ব্যাটে-বলে করতে পারেননি। তবে দ্বিতীয় বলেই চার পেয়ে গেছেন তিনি। শুরুটা এমন বিক্ষিপ্ত হলেও নিজেকে সামলে নিয়েছেন প্রথম ওভারেই ভুল বোঝাবুঝির কারণে আরেক ওপেনার এনামুল হক বিজয় আউট হয়ে সাজঘরে ফেরার কারণে। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে লুক জঙ্গেকে টানা দুইটি চার হাঁকান। দ্বিতীয় উইকেটে সাব্বির রহমান রুম্মানের সঙ্গে তার ৩৯ রানের জুটি প্রাথমিক বিপদ থেকে বাঁচিয়ে দেয় বাংলাদেশকে। তবে তার সঙ্গী হিসেবে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি মুশফিকুর রহীম। ব্যক্তিগত ১৬ রানের মধ্যেই তিনটি চার হাঁকিয়েছিলেন। বাকিটা সময় আর কোন বাউন্ডারিই হাঁকানোর প্রয়াস দেখাননি তামিম।

সে কারণে নিজেকে আরও সুস্থির করেছেন তামিম। চতুর্থ উইকেটে নাসির হোসেনের সঙ্গে ২৫ রানের আরেকটি ছোট জুটি গড়ে দলকে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিতে থাকেন তামিম। তবে একটি চার ও ছক্কা হাঁকিয়ে নাসির দ্রুতই ফিরে গেছেন। এরপর তামিমও অবশ্য বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি। বেশ সাবলীলভাবে খেলতে থাকা এ ওপেনার স্পিনার গ্রায়েম ক্রেমারের ঝুলিয়ে দেয়া বলে ব্যাট লাগাতে ব্যর্থ হয়ে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন। ততক্ষণে অর্ধেকের বেশি পথ পাড়ি দিয়ে ফেলেন বাংলাদেশ। দলীয় ৮০ রানের সময় তামিম ২৮ বলে ৩ চারে ৩১ রান করে বিদায় নেন। তামিমের ব্যাটিং দেখে মনে হচ্ছিল ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি পেয়ে যাবেন। কিন্তু সেটা আর হয়নি। টেস্ট ও ওয়ানডেতে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বাধিক রানের মালিক হলেও টি২০ ফরমেটে এখনও দুইয়ে অবস্থান তার। ৩৮ ম্যাচে ৮৪৩ রান নিয়ে শীর্ষে আছেন সাকিব আল হাসান। আর এ ম্যাচের পর ৪০ ম্যাচে ৭৬৫ রান নিয়ে দুই নম্বরেই থাকলেন তামিম। তবে মিরপুরে টি২০ ক্রিকেটে রান করার দিক থেকে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন সাকিবকে। মিরপুরে তামিমের রান ১১ ম্যাচে ২১৫ আর সাকিবের ১০ ম্যাচে ২১৩। মিরপুরে সর্বাধিক ১৩ টি২০ খেলে মুশফিক ২৫৩ রান করে শীর্ষে।

নির্বাচিত সংবাদ