২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

একনজরে পশ্চিম ইউরোপে জঙ্গী হামলা

৭ জানুয়ারি, ২০১৫ : প্যারিসে ব্যঙ্গ পত্রিকা শার্লি হেবদোর কার্যালয়ে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১২। আরব উপদ্বীপের আল-কায়েদা হামলার দায় স্বীকার করে জানিয়েছে, নবী মোহাম্মদকে (সাঃ) নিয়ে শার্লি হেবদোতে ব্যঙ্গ করার প্রতিশোধ নেয়া হয়েছে।

২৪ মে, ২০১৪ : ব্রাসেলসে ইহুদি জাদুঘরে এক অনুপ্রবেশকারী কালাশনিকভ রাইফেল দিয়ে ৪ ব্যক্তিকে হত্যা করে। হত্যাকারীর সঙ্গে সিরিয়ার ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গী গোষ্ঠীর যোগাযোগ রয়েছে। সে এক সময় ফরাসি যোদ্ধা ছিল।

২২ মে, ২০১৩ : লন্ডনের রাস্তায় ব্রিটিশ সৈন্য লি রিগবির ওপরে দু’জন আল-কায়েদা জঙ্গী হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করে।

মার্চ, ২০১২ : ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলের তুলুজ শহরে আল-কায়েদা সম্পৃক্ত এক বন্দুকধারী তিন ইহুদি স্কুলশিশু, এক ইহুদি যাজক ও তিন প্যারাট্রুপারকে হত্যা করে।

২২ জুলাই, ২০১১ : নরওয়ের অসলোতে মুসলমান বিরোধী চরমপন্থী এ্যান্ডারস বারিং ব্রিভিক ওসলোতে বোমা পেতে রাখে এবং পরে ইউটোয়া দ্বীপে এক ইয়ুথ ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে ৭৭ জনকে হত্য করে। তাদের মধ্যে অনেকে কিশোর।

২ নবেম্বর, ২০১১ : নবী মোহাম্মদকে (সাঃ) ব্যঙ্গ করে কভার করায় প্যারিসের ব্যঙ্গাত্মক পত্রিকা শার্লি হেবদোর কার্যালয়ে আগুনের বোমা ছোড়া হয়। এতে কেউ আহত হয়নি।

৭ জুলাই, ২০০৫ : লন্ডনে তিনটি জায়গায় আল-কায়েদার আত্মঘাতী ৪ বোমা হামলাকারী সাবওয়ে ট্রেন ও বাসে হামলা চালিয়ে ৫২ যাত্রীকে হত্যা করে।

১১ মার্চ, ২০০৪ : মাদ্রিদ এ্যাটোচা স্টেশনে কর্মব্যস্ত সময়ে ট্রেনে বোমা হামলায় ১১৯ জন নিহত হয়। এটি ছিল ইউরোপে ইসলামপন্থীদের সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা।

১৫ আগস্ট, ১৯৯৮ : উত্তর আয়ারল্যান্ডের ওমাগ শহরে আইরিশ রিপাবলিকান আর্মির একটি বিচ্ছিন্ন গ্রুপের গাড়ি বোমা হামলায় ২৯ জন নিহত হয়।

২৫ জুলাই, ১৯৯৫ : প্যারিসে সেন্ট-মিশেল সাবওয়ে রেলস্টেশনে বোমা হামলায় ৮ জন নিহত ও অপর ১৫০ ব্যক্তি আহত হয়। আলজিরিয়ার আর্মড ইসলামিক গ্রুপের (জিআইএ) ধারাবাহিক বোমা হামলার এটি একটি।Ñইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

নির্বাচিত সংবাদ