২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে কর্মচারীদের মামলা

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ দুর্নীতির মাধ্যমে কর্মচারীদের প্রায় ৭০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রামীণফোনের বিরুদ্ধে কর্মচারীদের মামলা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম ইউসুফ হোসেনের আদালতে গ্রামীণফোনের শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন পাঁচ কর্মচারী নালিশী মামলার আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

পাঁচ বাদীর পক্ষে গ্রামীণফোন লিমিটেডের পরিবহন শ্রমিক মেহেদী হাসান আদালতে জবানবন্দী দেন।

মামলার পাঁচ বাদী গ্রামীণফোন লিমিটেড শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সদস্য। তারা হলেন— গ্রামীণফোন লিমিটেডের পরিবহন শ্রমিক মেহেদী হাসান, মাসদি হাসান, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মোঃ সোহাগ, অফিস সহকারী আফজাল সোসেন ও অপটিক্যাল ফাইভার অপারেটর নিজাম উদ্দিন।

অভিযোগপত্রে বিবাদী করা হয়েছে— গ্রামীণফোন লিমেটেড, গ্রামীণফোন লিমিটেডের সিইও, গ্রামীণফোন ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য কাজী শাহেদ আহম্মেদ, মাইনুল রহমান ভুইয়া, মাইনুল কাদের ও আহম্মেদ মনজুর দোলা।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মামলার বিবাদীরা গ্রামীণফোন ওয়ার্কার্স প্রফিট ফান্ড এ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ফান্ডের ১৩ শ’ কর্মচারীর প্রায় ৭০০ কোটি টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। পাওনা টাকার জন্য আবেদন করলে তাদের বিভিন্নভাবে অপমান ও অপদস্ত করতেন। তাই তারা আদালতের কাছে ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য উপস্থিত হন।

মামলার অভিযোগ থেকে আরও জানা যায়, ২০১০ সালে সরকার কোম্পানির লাভের ৫ শতাংশ শ্রমিক কর্মচারী মধ্যে বণ্টন করার জন্য ঘোষণা দেয়। ২০১৩ সালের ২৪ অক্টোবর গ্রামীণফোন লিমিটেড পরিচালক সভায় তা পাস করা হয়।

২০১৫ সালের মার্চ মাসে বিবাদীরা শ্রমিকদের বঞ্চিত করে লভ্যাংশের ৬৯১ কোটি ৩৮ লাখ ৬৬ হাজার ১৮৩ টাকা না দিয়ে ভাগবাটোয়ারা করে দুর্নীতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন।