২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পুঁজিবাজারে বাড়তি বিনিয়োগ সমন্বয়ের সময় দুই বছর বাড়ছে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বাড়তি বিনিয়োগ সমন্বয়ের সময়সীমা দুই বছর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রবিবার শেরেবাংলা নগরের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। অর্থমন্ত্রী বলেন, ব্যাংক আইনের কারণে ক্যাপিটেল মার্কেট একটু এ্যাফেক্ট হচ্ছে। এই আইন ক্যাপিটেল মার্কেটে একটা প্যানিক সৃষ্টি করেছে। আমরা আইনটা সংশোধন করে বাড়তি বিনিয়োগ সমন্বয়ের সময় সীমা দুই বছর বাড়িয়ে দেব। তিনি জানান, সংশোধনীর জন্য আইনটি দ্রুত মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য তোলা হবে।

এর আগে গত বুধবার মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সমন্বয় সভায় এই সময় বাড়ানোর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবর্নর ড. আতিউর রহমান দেশের বাইরে থাকার কারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি। এই সময় বাড়াতে ব্যাংক কোম্পানি আইন পরিবর্তন করতে হবে। সেটি সময় সাপেক্ষ বিষয়, এই কারণে প্রথম বিশেষ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে সময় বাড়ানো হবে। পরে সেটি সংসদে আইন আকারে পাস করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

যদিও তালিকাভুক্ত ব্যাংকগুলোর সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) এই সময়সীমা অন্তত চার বছর বাড়ানোর দাবি জানিয়েছিলেন। এছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে শুধু শেয়ারের সংজ্ঞার মধ্যে ফেলতে দাবিও জানানো হয়েছে। এখন বন্ড, ডিবেঞ্চারকে শেয়ারের মতো গণনায় আনা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৩১ অক্টোবর রাতে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ব্রোকারস এ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দকে বিনিয়োগ সমন্বয়ে সময় বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, বাজারের স্থিতিশীলতা ফেরাতে অন্তত দুই বছর সময় বাড়ানো উচিত।