২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আঙ্গুলের ছাপ পদ্ধতিতে পরীক্ষামূলক সিম নিবন্ধন শুরু

  • প্রতিমন্ত্রীর কার্যক্রম পরিদর্শন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বায়োমেট্রিক (আঙ্গুলের ছাপ) পদ্ধতিতে পরীক্ষামূলকভাবে সিম নিবন্ধন শুরু হয়েছে। রবিবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। বারোটার দিকে তিনি গুলশানে রবি, গ্রামীণফোন, টেলিটক, বাংলালিংক ও এয়ারটেলের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে যান। প্রতিমন্ত্রী পরিদর্শনকালে বলেন, পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলবে আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ১৬ ডিসেম্বর থেকে এই পদ্ধতি চূড়ান্তভাবে চালু হবে। নিবন্ধন কার্যক্রম এক মাসের বেশি চলবে। এ সময়ের মধ্যে কোন সিম নিবন্ধন বাকি থাকলে সেটি বন্ধ করে দেয়া হবে। তারা সিম প্রতিস্থাপন করারও সুযোগ পাবেন না। সিম নিবন্ধন ছাড়া কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোন অপারেটর নিবন্ধন ছাড়া সিম বিক্রিও করতে পারবে না।

অপারেটদের গ্রাহক সেবা কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তারানা হালিমের সঙ্গে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সিম নিবন্ধন করতে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়াও অনুমোদিত কয়েকটি পরিচয়পত্র ব্যবহার করতে পারবেন গ্রাহকরা। সিম নিবন্ধনে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু উপলক্ষে জারি করা নির্দেশনায় বিটিআরসি এ তথ্য জানিয়েছে। নিদের্শনায় বলা হয়েছে, শুধু সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নির্দিষ্ট কাস্টমার কেয়ারে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স, শিক্ষা সনদ, পাসপোর্টের মতো অনুমোদিত পরিচয়পত্র দিয়ে সিম নিবন্ধন করা যাবে। অনুমোদিত পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতার মাধ্যমে সিম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করতে হবে। এখন থেকে নতুন সিম কিনতে গেলেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। যে গ্রাহক আগে সিম কিনেছে, সেটি যদি ঠিকভাবে নিবন্ধিত না হয়। তাহলে তার জন্যও এ পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে। হারিয়ে যাওয়া সিম প্রতিস্থাপন করতে হলেও একই প্রক্রিয়া মেনে নিতে হবে।

মোবাইল অপারেটরদের জন্য দেয়া নির্দেশে বলা হয়েছে, জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া অন্য সব পরিচয়পত্রের মাধ্যমে সিম নিবন্ধনের তথ্য যাচাইয়ে বিক্রেতার পরিচিতি কোড, অনুমোদিত পরিচয়পত্রের ধরন ও নম্বর, গ্রাহকের জন্ম তারিখ, গ্রাহকের আঙ্গুলের ছাপ ও একটি যাচাইযোগ্য মোবাইল নম্বরের তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। সংগ্রহ করা পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বরের তথ্য যাচাইয়ের জন্য মোবাইল অপারেটরকে বিটিআরসিতে স্থাপিত কেন্দ্রীয় ‘বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন মনিটরিং প্ল্যাটফর্ম’ থেকে অনলাইন ছাড়পত্র নিতে হবে। বায়োমেট্রিক ভেরিফিকেশন মনিটরিং প্ল্যাটফর্ম হলো আঙ্গুলের ছাপ পদ্ধতি। পরে সব মোবাইল অপারেটর নিয়ে একটি সমন্বিত তথ্যভা-ার গড়ে তোলা হবে।