২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রুনা লায়লার জন্মদিন আজ

সংস্কৃতি ডেস্ক ॥ উপমহাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী বাংলাদেশের গর্ব রুনা লায়লার জন্মদিন আজ। ১৯৫২ সালের অজকের দিনে সিলেটে রুনা লায়লার জন্ম। মাত্র সাড়ে ১২ বছর বয়সে ১৯৬৪ সালে পাকিস্তানি চলচ্চিত্র ‘জুগনু’র মাধ্যমে সঙ্গীতে পথচলা শুরু করেন তিনি। ওই চলচ্চিত্রের ‘গুড়িয়াসি মুন্নি মেরি’ তার জীবনের প্রথম গাওয়া গান। পাঁচ দশকের সঙ্গীত জীবনে লোকজ, পপ, রক, গজল, আধুনিক- সব ধাঁচের গানই গেয়েছেন রুনা। বাংলা, হিন্দি, উর্দু, ইংরেজিসহ ১৮টি ভাষায় তার কণ্ঠে গান শোনা গেছে। এ পর্যন্ত গানের সংখ্যা ১০ হাজারেরও বেশি। গানের বাইরে চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত ‘শিল্পী’ চলচ্চিত্রে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রুনা লায়লা। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন আলমগীর। পরবর্তী সময়ে তারা ঘর বাঁধেন। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে রুনা লায়লার গাওয়া প্রথম গান হলো গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা ও সুবল দাসের সুরে ‘গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে’। লাহোরে থাকাকালেই গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন তিনি। ১৯৭৪ সালে দেশে স্থায়ীভাবে চলে আসার পর প্রথম তিনি গেয়েছেন সত্য সাহার সুরে ‘জীবন সাথী’ চলচ্চিত্রে। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন খন্দকার ফারুক আহমেদ। নব্বইয়ের দশকে মুম্বাইয়ে পাকিস্তানি সুরকার নিসার বাজমির সুরে একদিনে ১০টি করে তিন দিনে ৩০টি গানে কণ্ঠ দিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখান রুন লায়লা। তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন ছয়বার। চলচ্চিত্রগুলো হলো- ‘দি রেইন’ (১৯৭৬), ‘যাদুর বাঁশী’ (১৯৭৭), ‘এ্যাকসিডেন্ট’ (১৯৮৯), ‘অন্তরে অন্তরে’ (১৯৯৪), ‘তুমি আসবে বলে’ (২০১২) এবং ‘দেবদাস’ (২০১৩)। এছাড়া বলিউডের বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে গান গেয়েছেন রুনা লায়লা। সর্বশেষ গেয়েছিলেন ১৯৯০ সালে অমিতাভ বচ্চন অভিনীত ‘অগ্নিপথ’ চলচ্চিত্রের ‘আলীবাবা মিল গ্যায়া চল্লিশ চোর সে’ গানটি। বলিউডে তার গাওয়া সবচেয়ে জনপ্রিয় গান ‘ও মেরা বাবু চেইল চেবিলা’। এর সঙ্গীত পরিচালনা করেন এম. আশরাফ। পাকিস্তানের ‘মান কি জিত’ (১৯৭২) চলচ্চিত্রে এ গানটি ব্যবহার হয় বলিউডের ‘ঘর দুয়ার’ (১৯৮৫) চলচ্চিত্রে। রুনা লায়লা এখন লন্ডনে কন্যাসন্তান তানি লায়লা ও দুই নাতির কাছে বেড়াচ্ছেন। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, আমার শুভাকাঙ্খী ও ভক্তদের কাছ থেকে জন্মদিনের আগেই জন্মদিনের শুভেচ্ছা পেয়েছি। সবাইকে শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ।