২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কদমতলী হত্যাকাণ্ডের আসামি রাব্বি গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজধানীর কদমতলীতে মেয়েকে ছুরিকাঘাতে হত্যা এবং আরেক মেয়ে ও মাসহ ৩ জনকে ছুরিকাঘাতে আহত করার চাঞ্চল্যকর ঘটনার প্রধান আসামি রাব্বীকে (১৬) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মটু বলে ক্ষ্যাপানোর কারণেই রাব্বী ঘটনাটি ঘটায় বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে।

সোমবার সকালে কদমতলী থানা পুলিশ মুরাদনগরের এক আত্মীয়র বাসা থেকে রাব্বীকে গ্রেফতার করে। গত ৩ নবেম্বর কদমতলীতে ঘটনাটি ঘটে।

গ্রেফতারকৃত রাব্বীর বরাত দিয়ে পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, কদমতলীর পাটেরবাগের ২ নম্বর গলিতে সে তার বাবা-মাসহ বসবাস করে। পাশের ১৪৯২ নম্বর বাড়ির দোতলায় ইতালি প্রবাসী আব্দুল হান্নানের পরিবার ভাড়ায় বসবাস করছে। সোহেলী আক্তার (১৪) আব্দুল হান্নানের বড় মেয়ে। পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় সোহেলীর সঙ্গে তার প্রায়ই কথা বার্তা হতো। সে (রাব্বী) একটি বিদেশী কুকুর পোষে। সে (রাব্বী) একটু মোটা বলে সোহেলী তাকে প্রায়ই ‘মটু’ বলে ক্ষ্যাপাত। বহুবার সোহেলীকে মটু বলে তাকে না ক্ষ্যাপাতে। কিন্তু সোহেলী তা শোনেনি। এ জন্য শায়েস্তা করতে তার বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে ওইদিন সোহেলীদের ফ্ল্যাটে ঢোকে। কলিং বেল টিপলে দরজা খুলে দেয়। এরপর শরীরে লুকিয়ে রাখা ধারালো ছুরি দিয়ে সোহেলীকে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। বাধা দিলে সোহেলীর মা শাহিদা মৃধা ডলি (৩৫) ও সোহেলীর ছোট বোন সারা আক্তার (৭) আহত হয়। পালিয়ে যাওয়ার সময় বাসার সামনে বিআইডব্লিউটিএ’র প্রকৌশলী জালাল আহমেদ তাদের বাধা দেয়। এ সময় তাকেও ছুরিকাঘাতে জখম করে তারা পালিয়ে যায়। পরে সোহেলীর মৃত্যু হয়।

পুলিশ জানায়, পরবর্তীতে চিকিৎসাধীন ৩ জনের জবানবন্দী রেকর্ড করা হয়। জবানবন্দীতে হত্যাকারী হিসেবে রাব্বীর নাম আসে।

ওয়ারী বিভাগের উপ-কমিশনার সৈয়দ নূরুল ইসলাম জানান, কিশোর রাব্বি ওই হত্যা মামলার মূল আসামি। হত্যাকা-ের সময় রাব্বীর সহযোগী ছিল তাকেও আটকের চেষ্টা চলছে।