২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

না’গঞ্জে সাত অবৈধ চুন কারখানায় গ্যাস

  • দাবি মালিক সমিতির

নিজস্ব সংবাদদাতা, নারায়ণগঞ্জ, ১৭ নবেম্বর ॥ অনুমোদনহীন সাতটি চুন কারখানায় অবৈধভাবে গ্যাস সংযোগ নিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট চক্র। এতে অবৈধ ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে লাভবান হলেও সরকার হারাচ্ছে লাখ লাখ টাকার রাজস্ব। এদিকে বাংলাদেশ চুন প্রস্তুতকারক মালিক সমিতি অনুমোদনহীন চুন কারখানায় অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে ও স্থায়ীভাবে কারখানা বন্ধ করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে লিখিত আবেদন জানিয়েছে।

আবেদনপত্রে তারা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ চুন প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির (রেজি নং- বি-২১২৩) অধীনে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন থানায় ১৭টি বৈধ চুন উৎপাদনকারী কারখানা রয়েছে।

এ কারখানা থেকে সরকারকে বছরে ২ কোটি ৪০ লাখ থেকে ২ কোটি ৬৪ লাখ টাকার রাজস্ব দেয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও তিতাস গ্যাস কোম্পাানিকে প্রতিমাসে ৫০-৬০ লাখ টাকা গ্যাস বিল বাবদ পরিশোধ করা হচ্ছে। এ সব চুন কারখানার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে লক্ষাধিক লোক জড়িত রয়েছে। কিন্তু কিছু অবৈধ চুন কারখানা গড়ে ওঠায় আজ বৈধ ১৭ চুন শিল্প ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। চুন প্রস্তুতকারক মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও, আড়াইহাজার ও বন্দর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ৭টি অবৈধ চুন কারখানা গড়ে উঠেছে। এ সকল কারখানায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের হিড়িক পড়েছে। এ চুন কারখানাগুলোর কোন নাম দেয়া হয়নি। নেয়া হয়নি পরিবেশ ছাড়পত্র। বেনামে চলছে চুন কারখানা। রাতভর তাদের ভাট্টিতে জ্বলসে আগুন।

উৎপাদন হচ্ছে চুন। বিশেষ করে সোনারগাঁয়ের মগবাজার এলাকার সেলিম, একই থানার ভিটিকান্দির আরিফ ও আবুল, পানাম বাজার পুরাতন কাঁচ ফ্যাক্টরির হাজী মজিবর, সোনারগাঁয়ের পানাম বাজারের নোয়াইল এলাকার অলি মিয়া, আড়াইহাজারের পাঁচগায়ের আজিজ মোল্লা ও বন্দরের কাইকারটেক রোডের মিনার বাড়ির শফি উল্লাহসহ গড়ে তুলেছেন অবৈধ চুন কারখানা। বাংলাদেশ চুন প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির সভাপতি ইউনুছ জানান, এ সাতটি চুন কারখানা সম্পূর্ণ অবৈধ। এ কারখানাগুলোতে জ্বালানো হচ্ছে অবৈধ গ্যাস, নেয়া হয়নি কোন অনুমতিও। ফাঁকি দেয়া হচ্ছে রাজস্ব।

গাজীপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ফাঁসি

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাজীপুর, ১৭ নবেম্বর ॥ পারিবারিক কলহের জের ধরে স্ত্রীকে শ^াসরোধ করে হত্যার দায়ে স্বামীকে ফাঁসিতে মৃত্যুর দ-াদেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মঙ্গলবার জেলা জজ এ কে এম এনামুল হক এ আদেশ প্রদান করেন। উল্লেখ্য, গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার চরখিড়াটি গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিনের (২৫) সঙ্গে ফরিদপুরের নগরকান্দা থানার মীরের গ্রামের ইউনুস মাতব্বরের মেয়ে কাকলী বেগমের (১৯) বিয়ে হয়। পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে বিয়ের পর থেকে স্ত্রী ও স্বামীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ হতো।