২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভাসানীর সমাধি প্রাঙ্গণে বিএনপির সংঘর্ষ ॥ পুলিশের লাঠিচার্জ

নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল, ১৭ নবেম্বর ॥ মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি’র একাধিক গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়েছে। পরে পুলিশের লাঠিচার্জে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এতে বিএনপির ১০/১২ নেতাকর্মী আহত হয়। চরম অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে ভাসানীর মৃত্যুর পর ৩৯ বছর পর এবারই প্রথম মঙ্গলবার তার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মাজার প্রাঙ্গণে কোন স্মরণসভার আয়োজন করতে পারেনি তার আদর্শের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলীয় কোন্দল এতটাই প্রকট হয়েছে যে, কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতেই একাধিক গ্রুপের মারামারি থামাতে শেষ পর্যন্ত পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়। ভাসানীর মাজারে জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে মারামারির ঘটনায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ তীব্র ক্ষোভ এবং হতাশা প্রকাশ করে ঢাকা ফিরে গেছেন।

জানা গেছে, মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতিবছর স্মরণসভার আয়োজন করে টাঙ্গাইল শহর বিএনপি। কিন্তু অনেকদিন থেকেই শহর বিএনপি’র দু’টি গ্রুপ ছাড়াও জেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর একাধিক গ্রুপ বিদ্যমান রয়েছে। জেলা বা কেন্দ্রীয় নেতারা গ্রুপগুলো এক করতে বা দলীয় কোন্দল বন্ধ করতে পারেনি। কোন্দল থামাতে না পেরে অবশেষে স্মরণসভা আয়োজন না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই একাধিক গ্রুপের নেতাকর্মীরা ভাসানীর মাজার প্রাঙ্গণে আসতে থাকেন। বিএনপি’র চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও জেলার সভাপতি এ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান, সাধারণ সম্পাদক সামছুল আলম তোফা মাজার প্রাঙ্গণে এসে অপেক্ষা করতে থাকেন কেন্দ্রীয় নেতাদের জন্য। সকাল সোয়া ১০টার দিকে কেন্দ্রীয় নেতারা এসে উপস্থিত হন। এদের মধ্যে ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান, সেলিমা রহমান, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান দুদু, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ। সবাই মিলে মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণের জন্য যাওয়ার সময় একাধিক গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। এক গ্রুপ আরেক গ্রুপের পুষ্পস্তবক ভেঙ্গে ফেলে। পরে উত্তেজিত নেতাকর্মীদের মধ্যে মারামারি ও কিলঘুষি বিনিময় হয়।

কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

নিজস্ব সংবাদদাতা, কুমিল্লা, ১৭ নবেম্বর ॥ দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় বেলাল মিয়া (৪২) ও মাসুদ (২৮) নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জেলার চৌদ্দগ্রামে এ দুটি দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে বেলাল মিয়া চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের মতিয়াতলী গ্রামের আশ্বব আলীর ছেলে এবং অপরজনের পরিচয় জানা যায়নি।