১৯ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ফারুকী হত্যা মামলার তদন্ত নতুন করে শুরু

গাফফার খান চৌধুরী ॥ নতুন করে তদন্ত শুরু হয়েছে বহুল আলোচিত বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল আই-এর উপস্থাপক মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যা মামলার। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি মামলাটির তদন্ত করছে। তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। হত্যাকারীদেরও গ্রেফতার করা অসম্ভব কিছু নয়। পিডিবির সাবেক চেয়ারম্যান খিজির খান, গোপীবাগে সিক্স মার্ডার, চ্যানেল আইয়ের উপস্থাপক নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যা এবং পাবনায় ফাদার লুক সরকারকে হত্যাচেষ্টা একসূত্রে গাঁথা। প্রতিটি হত্যাকা-ের সঙ্গে নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন জেএমবি জড়িত। নুরুল ইসলাম ও গোপীবাগের সিক্স মার্ডারের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে খিজির খান এবং বগুড়ায় ফাদার লুক সরকারকে হত্যাচেষ্টায় গ্রেফতারকৃত জেএমবির মোট ৮ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি চলছে। খিজির খান হত্যায় গ্রেফতারকৃত রাকিবুলকে মঙ্গলবার গোপীবাগের সিক্স মার্ডার মামলায় দুইদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে আদালত। ধর্মীয় মতপার্থক্যের কারণেই জেএমবির একাধিক গ্রুপ হত্যাকা-গুলো ঘটিয়েছে। গত ৩ বছর ধরে জেএমবির এই গ্রুপগুলো এমন গুপ্তহত্যা চালাচ্ছে। জেএমবির এই গ্রুপগুলোর টার্গেটে আরও কয়েকজন পীর রয়েছে। সেসব পীরদের নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি চলছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন জেএমবি দলীয়ভাবে পীর ও তাদের মুরিদ এবং মাজার ভক্তদের হত্যা করা সওয়াবের কাজ বলে মনে করে। এমন ধারণা থেকেই ২০১৩ সালের ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর ওয়ারীর রামকৃষ্ণ মিশন রোডের ৬৪/৬ নম্বর আয়না নামক চারতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় গলা কেটে হত্যা করা হয় ইমাম মাহদীর প্রধান সেনাপতি ও বিশ্বত্রাণকর্তা দাবিদার লুৎফোর রহমান ফারুক (৫৫), তার ছেলে সিটি ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার সানোয়ারুল ইসলাম মনির (৩০), ফারুকের খাদেম মঞ্জুর আলম (২৮), মুজিবুল সরকার (৩২), শাহীন (২৪) ও রাসেলকে (৩৭)।

২০১৪ সালের ২৮ আগস্ট রাত ৮টার দিকে রাজধানীর তেজগাঁও থানাধীন পূর্ব রাজাবাজারের ১৭৪ নম্বর মুন্সী বাড়ির দ্বিতীয় তলায় গলা কেটে হত্যা করা হয় বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল আই-এর শান্তির পথে ও কাফেলা নামক ইসলামী অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ও সুপ্রীমকোর্ট জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকীকে।