১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় স্বরাষ্ট্র সচিবের সাক্ষাত

বিডিনিউজ ॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্র সচিব রাজীব মেহর্ষি। দু’দিন দুই দেশের স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা ত্যাগের আগে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করেন রাজীব। এ সময় তার সঙ্গে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম পরে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের জানান। স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক সফল হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন রাজীব মেহর্ষি। বৈঠক সফল হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন বলেও জানান তার প্রেস সচিব। বৈঠক শেষে কার্যবিবরণী স্বাক্ষরিত হওয়ার বিষয়টিও প্রধানমন্ত্রীকে জানান রাজীব। ধানম-ি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনের কথা তুলে ধরে বঙ্গবন্ধু ভবনকে ইতিহাসের সাক্ষী বলে অভিহিত করেন ভারতের স্বরাষ্ট্র সচিব।

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সরকারীভাবে এই সড়কের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ওই সড়কের নম্বর পরিবর্তন করে ১১ করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশের সকলেই ৩২ নম্বর বলতেই ওই সড়ককে বোঝে।’ ভারতের পানি সম্পদ মন্ত্রী উমা ভারতী এবং বাংলাদেশের পানি সম্পদ মন্ত্রী আনিসুল হক মাহমুদের মধ্যে বৈঠক ‘সফল’ হয়েছে বলে এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে জানান পঙ্কজ শরণ।

এছাড়া দিল্লীতে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে কোস্টাল শিপিংয়ের জন্য এসওপি (স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিভ প্রসিডিউর) স্বাক্ষর হওয়ার বিষয়টিও প্রধানমন্ত্রীকে জানান ভারতীয় হাই কমিশনার। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে লেবার পার্টির সংসদ সদস্য ও বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্রী টিউলিপ সিদ্দিকীর বৈঠকের বিষয়টিও শেখ হাসিনাকে জানান পঙ্কজ। বৈঠকে দুই দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো জোরদার করার কথা বলেছেন শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের মধ্যে যানবাহন চলাচল চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। স্থলবন্দর বাংলাবন্ধে যানবাহনের জট কমাতে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেয়া হবে বলে প্রধানমন্ত্রীকে বলেন রাজীব মেহর্ষি।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গওহর রিজভী, মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ ও স্বরাষ্ট্র সচিব মোঃ মোজাম্মেল হক খান উপস্থিত ছিলেন।

ঢাবিতে হলের আবাসিক ফি প্রত্যাহার দাবিতে ভিসিকে স্মারকলিপি, কঠোর কর্মসূচীর হুমকি

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলের ‘আবাসিক ফি’ প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন প্রগতিশীল ছাত্রজোট ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী মঙ্গলবার দুপুরে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিয়েছেন জোটের নেতা-কর্মীরা। সাত দিনের মধ্যে দাবি মেনে না নেয়া হলে কঠোর কর্মসূচীর হুমকি দিয়েছেন তারা। তবে এ ফি নিয়ে অনড় অবস্থানে হল প্রাধ্যক্ষ।

জানা গেছে, আবাসিক ছাত্রদের প্রতি বছর তিন হাজার ৬০০ টাকা আবাসিক ফি পরিশোধ করতে হবে এমন নির্দেশনা দিয়ে নোটিশ দেয়ার পর থেকেই ছাত্রদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। প্রাথমিকভাবে ছাত্ররা বিভিন্ন অনলাইন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে এই বিষয়টির প্রতিবাদ জানান। গত সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে প্রগতিশীল ছাত্রজোট। সেখান থেকে তারা ফি প্রত্যাহার করে নেয়ার দাবিসহ সাত দিনের আল্টিমেটাম দেন।