২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পুনর্গঠনের পরেও খেলাপী ঋণ বেড়েছে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ ঋণ আদায় কমে যাওয়ার কারণে ব্যাংকব্যবস্থায় এবার খেলাপি ঋণ বেড়েছে। গত জুন প্রান্তিক শেষে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫২ হাজার ৫১৬ কোটি টাকা। যা বিতরণ করা ঋণের ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ। গত সেপ্টেম্বর শেষে তা বেড়ে দাড়িয়েছে ৫৪ হাজার ৭০৮ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। যা বিতরণ করা ঋণের ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ। অর্থাৎ তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দুই হাজার ১৯২ কোটি টাকা বেড়েছে। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের খেলাপী ঋণ সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক তথ্যানুযায়ী, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর মোট ঋণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৭৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপিতে পরিণত হওয়া ৫৪ হাজার ৭০৮ কোটি টাকা মোট ঋণের ৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ। জুন পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর মোট ঋণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৪৩ হাজার ৮৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপিতে পরিণত হওয়া ৫২ হাজার ৫১৬ কোটি টাকা মোট ঋণের ৯ দশমিক ৬৭ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। এটা অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক দিক। এর আগে ব্যাপক পুনঃতফসিলের সুযোগে গত ডিসেম্বর প্রান্তিকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ অনেক কমেছিল। গত সেপ্টেম্বরের তুলনায় ডিসেম্বর খেলাপি ঋণ ৭ হাজার ১৩৬ কোটি টাকা কমে ৫০ হাজার ১৫৬ কোটি টাকায় নেমে আসে। যা ছিল মোট ঋণের ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ। জানা গেছে, ২০১৪ সালের শুরুতে নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা হলে তার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বাংলাদেশ ব্যাংক রাজনৈতিক কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ মাত্র ৫ শতাংশ ডাউনপেমেন্ট (এককালীন জমা) দিয়ে পুনঃতফসিল করার সুবিধা দেয়। এই সুবিধায় ১২ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল হয়েছে। তবে পুনঃতফসিল করা ঋণের একটি অংশ আবার খেলাপিতে পরিণত হওয়ায় মার্চে তা আবার বেড়ে যায়। গত প্রান্তিকে ব্যাংকগুলোর আদায় বাড়ার ফলে তা আবার কমেছে বলে জানা গেছে।

নির্বাচিত সংবাদ