২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কক্সবাজারে সবজি চাষীর মুখে হাসি

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার ॥ জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ক্ষেতে আশানুরূপ ফসল দেখে সফলতার হাসি ফুটেছে কৃষক পরিবারগুলোতে। রামু ও চকরিয়া উপজেলায় কয়েকদফা বন্যা পরবর্তী ভেঙ্গে পড়া কৃষি খাত ফের ঘুরে দাঁড়িয়েছে। জেলার প্রত্যন্ত জনপদে শীতকালীন সবজি চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি কর্মকর্তা ও স্থানীয় কৃষকদের ধারণা, প্রাকৃতিক পরিবেশ অনুকূলে থাকায় এবার জেলায় কয়েক কোটি টাকার শীতকালীন ফসল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু কিছু এলাকায় বাজারে উঠছে শীতকালীন নানাজাতের সবজি। উখিয়া, টেকনাফ, রামু, পেকুয়া ও চকরিয়ায় নানা জাতের সবজি উৎপন্ন হচ্ছে দেখে স্থানীয় পাইকারি ক্রেতারা ভিড় করছে ওসব ক্ষেতে।

চকরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আতিক উল্লাহ বলেন, চলতি বছরের জুন-জুলাই মাসে মাতামুহুরী নদীতে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট কয়েক দফা বন্যার কারণে উপজেলার কৃষি খাত একেবারে ভেঙ্গে পড়েছিল। ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয় অন্তত ২০ হাজার কৃষক। এ অবস্থার উত্তরণের লক্ষ্যে কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ে কর্মরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা দেয়া হয়। এরই প্রেক্ষিতে গত কয়েক মাসের ব্যবধানে উপজেলার কৃষি খাতকে ফের চাঙ্গা করে তোলা হয়।

যশোরে ফায়দা লুটছে মধ্যস্বত্বভোগী

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস থেকে জানান, রবিবার ছিল সদর উপজেলার হৈবতপুর ইউনিয়নের বারীনগর সাতমাইলের সবজি হাট। এদিন সকাল সাড়ে ৭টায় এখানকার সবজি বাজারে গিয়ে দেখা যায় চারপাশে সবজি আর সবজি। দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা ট্রাক ট্রাক সবজি কিনছেন। সবজির দামে বেশি হলেও চাষিরা কম দাম পাচ্ছেন বলে অভিযোগ। বাজার কমিটি সূত্র জানিয়েছে, রবিবার এ বাজারে ৯৫ লাখ ১৭ হাজার টাকার সবজি বিক্রি হয়েছে। চাষীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে খুচরা বাজারে সবজির দাম বেশি হলেও তারা ক্ষেত থেকে পাইকারি বাজারে নিয়ে বিক্রির সময় কম দাম পাচ্ছেন। পাইকারি বাজার থেকে খুচরা বাজারে গিয়েই সবজির দাম হয়ে যাচ্ছে দ্বিগুণ। একদিকে তারা সবজির আবাদ করেও ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না। অপরদিকে অতিরিক্ত দাম দিয়ে সবজি কিনছেন সাধারণ মানুষ। মাঝখানে মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে যাচ্ছে লাভের পুরো টাকা। স্থানীয় খুচরা ব্যবসায়ীর পাশাপাশি ঢাকা, খুলনা, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, বরিশালসহ বিভিন্ন অঞ্চলের পাইকাররা এ বাজারে সবজি ক্রয় করতে আসেন।