১৫ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বার্সিলোনা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন নেইমার!

বার্সিলোনা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন নেইমার!

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ কর ফাঁকির মামলা নিয়ে দুশ্চিন্তা যেন পিছু ছাড়ছে না নেইমারের। ক্রমেই তার স্পেনে থাকাটা হুমকির মুখে পড়ে যাচ্ছে! নেইমারের বাবা নিজেই জানালেন তা। ২৩ বছর বয়সী বার্সিলোনার ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমার কর ফাঁকির মামলায় ইতোমধ্যেই বিপুল অংকের সম্পত্তি হারিয়েছেন। দেশটির আদালত বলছে, ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সাড়ে দশ মিলিয়ন পাউন্ড কর ফাঁকি দিয়েছেন নেইমার, যা খুবই ভয়াবহ ব্যাপার। তাই নেইমারের স্পেনে থাকা নিয়ে সংশয়ে নেইমারের বাবা। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি যা দাঁড়িয়েছে তাতে নেইমারকে বার্সিলোনা ছাড়তে হতে পারে।’

এর আগে ৩১ মিলিয়ন পাউন্ড কর ফাঁকির মামলায় নেইমারের বিপুল সম্পত্তি বাজেয়াফত করা হয়। কর সংক্রান্ত ব্যাপারে স্পেন খুবই স্পর্শকাতর। কারও নামে মামলা থাকলে দেশটিতে তার থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। যে কারণেই লিওনেল মেসি কিংবা নেইমার কেউই দেশটিতে শান্তিতে নেই।

সম্প্রতি শোনা গেছে, নেইমারকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিনতে চায়। এদিকে বার্সিলোনার সঙ্গেও নতুন করে চুক্তির বিষয়ে কথা চলছে। কিন্তু ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকারের বাবা বলছেন, ‘আমরা চুক্তি নবায়নের ব্যাপারে কথা বলছি। তবে তার আগে এ মামলা শেষ হওয়া দরকার। অন্যথায় ভবিষ্যত শেষ হবে যাবে।’ বিশ্ব ফুটবলের সেরা তারকা নেইমার। কিন্তু এসব মামলার কারণে তার তারকা খ্যাতিতে ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে। এ বিষয়ে নেইমারের বাবা বলেন, ‘আমাদের আগে ভাল করে জানা উচিত যে, স্পেন এসব পরিস্থিতি গ্রহণ করে কি-না। আমাদের জন্য এটা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে, কারণ আমরা স্পেন এবং ব্রাজিল উভয় জায়গা থেকেই অনেক আক্রমণের শিকার হচ্ছি। নেইমার একজন তারকা। এসব সমস্যা তার তারকা খ্যাতিতে প্রভাব ফেলছে।’ এসময় নেইমার সিনিয়র আরও বলেন, ‘আমরা সকলের সাথেই আলাপ-আলোচনা করছি যে, কিভাবে এ সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসা যায়। কারণ আমরা চাই না আমাদের অবকাঠামোগত ভুলের কারণে স্পেনে দুই-তিন, চার-পাঁচ কিংবা দশ বছর স্পেনে থাকি এরপর বিস্মিতভাবে ধরা পড়ে যাই। আমাদের অবশ্যই সঠিক বিষয়টি সম্পর্কে জানা উচিত। আমাদের অবশ্যই সঠিক পথে এগিয়ে যাওয়া উচিত। আমাদের ওপর এরকম তদন্ত বন্ধ করা হোক। আমরা মানসিকভাবে শান্তি চাই।’ তবে নেইমারের বাবা এ সময় এটাও দাবি করেন যে, স্পেনে যাওয়ার আগে ব্রাজিলে কখনই এমন সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়নি তাদের।