২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সন্ত্রাসীদের কোন ধর্ম বর্ণ ও গোত্র নেই ॥ শিক্ষামন্ত্রী

  • প্যারিসে ইউনেস্কো লিডার্স ফোরামে ভাষণ

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের শক্ত অবস্থানের কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় বাংলাদেশ অন্যসব দেশের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। বাংলাদেশ সরকার সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গীবাদ মোকাবেলায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। দেশের ভেতরে সন্ত্রাসী চক্রসমূহকে কোন ধরনের ছাড় দেয়া হচ্ছে না।

শিক্ষামন্ত্রী ও ইউনেস্কোর ভাইস প্রেসিডেন্ট নুরুল ইসলাম নাহিদ প্যারিসে ইউনেস্কো সদর দফতরে আয়োজিত ইউনেস্কো লিডার্স ফোরামে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিনিধি হিসেবে বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। জাতিসংঘ সংস্থাটির ৭০ বছর পূর্তিতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদের ভাষণের পর পরই বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ভাষণ দেন। শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় প্যারিসে গত সপ্তাহে ঘৃণ্য জঙ্গী হামলায় বহু মানুষ নিহত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ফরাসী সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বলেন, আমরা এ হত্যাকা-ের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সন্ত্রাসীদের সন্ত্রাসী হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। সন্ত্রাসীদের কোন ধর্ম, বর্ণ ও গোত্র নেই। সন্ত্রাসী ও জঙ্গীরা কোন দেশের সীমারেখায় সীমাবদ্ধ থাকে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সকল দেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে প্রস্তুত। শিক্ষামন্ত্রী সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ মোকাবেলায় ইউনেস্কোর ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখ করে বলেন, উগ্র জঙ্গীদের সঙ্গ থেকে দূরে রাখতে যুব সমাজকে সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। শিক্ষামন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় বাংলাদেশে শিক্ষার প্রসারে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা বাস্তবায়নে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশ গড়ে তুলতে বাংলাদেশের শিক্ষাকে জাতীয় উন্নয়ন এজেন্ডার মূলভিত্তি বিবেচনা করা হচ্ছে। শিক্ষায় টেকসই বিনিয়োগের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে প্রাথমিক স্তরে প্রায় শতভাগ শিক্ষার্থী ভর্তি এবং মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত ছাত্রছাত্রী সংখ্যা সমতা অর্জন করেছে।

উল্লেখ্য, গত ৪ নবেম্বর ইউনেস্কোর সাধারণ সম্মেলনে ৩৮তম অধিবেশনে বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ২০১৫-২০১৭ মেয়াদে ইউনেস্কোর ভাইস-প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।