২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ রেখে ৪ বিল পাসের সুপারিশ

  • চলতি অধিবেশনেই পাস হবে

সংসদ রিপোর্টার ॥ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ রেখে চারটি বিল পাসের সুপারিশ করেছে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। বিলগুলো হচ্ছে- স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) বিল ২০১৫, উপজেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল ২০১৫, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) বিল ২০১৫ এবং স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল ২০১৫। এ অধিবেশনেই বিল চারটি পাস হবে।

স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে বুধবার রাতে এই চারটি বিলের রিপোর্ট উপস্থাপন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। তবে বর্তমান সরকারের শরিক দল ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে বিল চারটির ওপর সংশোধনী জমা দিয়েছে। পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা সাংবাদিকদের জানান, চারটি বিলের ওপর তারা একটি সংশোধনী জমা দিয়েছেন। সংশোধনীটি হচ্ছে- ওয়ার্কার্স পার্টি শুধু মেয়র পদে নয়, স্থানীয় সরকারের সব পদেই দলীয় নির্বাচন চায়।

এসব বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ সরাসরি ভোটে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিটি নির্বাচনই উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এসব নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে হলেও বাস্তবে প্রতিটি দলই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দলীয় ব্যক্তিকে প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দিয়ে থাকে। এই প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিন থেকে জনগণ ও জনপ্রতিনিধিরা রাজনৈতিক পরিচয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। জনগণের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে এবং জনপ্রতিনিধিদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার পালনের সুযোগ দিতে এসব বিল আনা হয়েছে।

বিলের রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, এ উদ্যোগের ফলে প্রার্থীদের দায়বদ্ধতা বৃদ্ধি পাবে এবং যথাযথভাবে রাজনৈতিক অঙ্গীকার পালনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এছাড়া প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে জনগণকে আরও বেশি সেবা দিতে তৎপর থাকবেন। এক্ষেত্রে তাকে মনোনয়ন প্রদানকারী রাজনৈতিক দল তাদের নীতি ও আদর্শ বাস্তবায়নে এবং জনস্বার্থ প্রতিপালনে তার কর্মকা- নজরদারির আওতায় রাখতে পারবে।

চা শ্রমিকদের নিয়ে নতুন বিল ॥ এদিকে চা শ্রমিক কল্যাণ তহবিলের ধারাবাহিকতা রক্ষা ও এই ধরনের কার্যক্রমকে আইনী কাঠামোর মধ্যে আনতে ‘চা শ্রমিক কল্যাণ তহবিল আইন ২০১৫’ নামে নতুন একটি বিল আনা হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বুধবার সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন। পরে তা পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে রিপোর্ট পাঠাতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক বাজারে টিকে থাকা এবং দেশের অভ্যন্তরে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে শ্রমিকদের কর্মদক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি করা জরুরী। এছাড়া শ্রমিকদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতে চা শ্রমিক কল্যাণ তহবিলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।