২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঝলক

যন্ত্রে জন্মাবে বাচ্চা!

মেশিনেই জন্ম নেবে শিশু। এক কথায় কৃত্রিম গর্ভে। একটি যন্ত্রে ১০ মাস ১০ দিন পরিপূর্ণ হবে শিশুটি। তারপর জন্ম। সব কেমন উলটপালট হয়ে যাচ্ছে না! ভাবছেন, মাতৃগর্ভ আবার মেশিন হবে কী করে! বেশি দিন নয়, এর জন্য আর বছর ২০-এর অপেক্ষা। তারপরই প্রসব যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন মায়েরা। মাতৃগর্ভ নয়, কৃত্রিম গর্ভেই জন্ম হবে শিশুর। পদ্ধতিটির নাম ‘এক্টোজেনেসিস’। বর্তমানে যেসব মহিলা গর্ভে সন্তান ধারণ করতে চান না বা সন্তান ধারণে অক্ষম, তারা সারোগেট মাদারের সাহায্যে শিশুর জন্ম দিচ্ছেন। অর্থাৎ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে অন্য কোন মহিলার গর্ভের মাধ্যমে সন্তান লাভ। এবার বিজ্ঞানীরা তৈরি করে ফেললেন কৃত্রিম গর্ভ। গবেষকরা বলছেন, যন্ত্রটি তৈরির কাজ প্রায় শেষ। তবে কৃত্রিম গর্ভ নিয়ে বিরোধিতায়ও সরব হয়েছেন একদল চিকিৎসা বিজ্ঞানী। তাঁদের দাবি, এই যন্ত্র মানুষকে আরও যান্ত্রিক করে তুলবে। নষ্ট হবে মা ও সন্তানের মধ্যে আত্মিক সম্পর্ক।

ডেথ ডায়েরি!

এক ডাক্তারের মৃত্যু, যিনি স্বেচ্ছামৃত্যুবরণ করেছেন। জেনেবুঝে কেউ যদি বিষাক্ত সাপের ছোবল খান এবং মৃত্যুর প্রহর গোনেনÑ সে তো এক ধরনের আত্মহত্যাই! তবে ডাক্তার তীব্র হতাশা থেকে আত্মহত্যা করবেন বলে এ কাজ করেননি। এটা তাঁর কাছে ছিল গবেষণা। সাপের ছোবল খাওয়া থেকে মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত তাঁর অনুভূতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে লিখে রেখে গিয়েছেন ডায়েরিতে। যাকে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘ডেথ ডায়েরি’ বলে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিষাক্ত প্রজাতির এক সাপের ছোবল খেয়ে ডাক্তার কার্ল প্যাটারসন শ্মিট মারা যান ১৯৫৭ সালে। মৃত্যুর আগে গোটা একদিন সময় পেয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যে তাঁর চিকিৎসার প্রয়োজন কিনা, জিজ্ঞেস করা হলে, সবিনয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেন কার্ল। কারণ তিনি চাননি মৃত্যুর আগের অনুভূতিতে কোথাও ছেদ পড়ুক। গোটা ঘটনাটি ঘটেছিল চিকাগোর ন্যাচারাল হিস্ট্রির ফিল্ড মিউজিয়ামে।