২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী অনুষদের সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব শুরু

অনলাইন ডেস্ক ॥ বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালার মধ্য দিয়ে আজ ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ফার্মেসী অনুষদের দু’দিনব্যাপী সুবর্ণ জয়ন্তী উৎসব কার্জন হল চত্বরে শুরু হয়েছে। ফার্মেসী শিক্ষার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগ এ উৎসবের আয়োজন করে। উৎসব উপলক্ষে কার্জন হল এলাকা মনোরম সাজে সাজানো হয়। নবীন-প্রবীণের মিলনমেলায় পরিণত হয় কার্জন হল চত্বর। সকালে বর্ণাঢ্য র‌্যালির মাধ্যমে উৎসবের সূচনা হয়।

দিনভর স্মৃতিচারণ, আড্ডা, মতবিনিময় ও কোলাহলে মেতে ওঠেন অনুষদের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা। দিন শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উৎসবে নতুন ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করে। বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উৎসবের উদ্বোধন করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউজিসি’র সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী এবং ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মুস্তাফিজুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ফার্মেসী বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ফার্মেসী অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক।

তোফায়েল আহমেদ দেশে ওষুধ শিল্পের বিকাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনন্য অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, ওষুধ শিল্পের উন্নয়নে বর্তমান সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ওষুধ শিল্পের সম্প্রসারণে শিগ্গিরই গ্যাস ইনসেনটিভ প্রদান করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্বে ওষুধ শিল্পের বাজার বহুমুখী করতেও সরকার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি জানান, এর ধারাবাহিকতায় বর্তমানে ১৬০টি দেশে ওষুধ রফতানি করা হচ্ছে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ফার্মেসী শিক্ষার পাশাপাশি এর অর্ন্তনিহিত দর্শন নিয়েও ফার্মাসিস্টদের চিন্তা করতে হবে। দক্ষ পেশাজীবী হওয়ার সঙ্গে মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সত্যিকার মানুষ হিসেবে গড়ে উঠার জন্য তিনি ফার্মেসী অনুষদের শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে ফার্মেসী বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বারকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কয়েকজন শিক্ষক ও প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সম্মাননা দেয়া হয়।