১৩ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সাংবাদিককে মারধর এএসপির বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে ॥ আইজি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজধানীর শাহবাগে তল্লাশি চৌকিতে ছবি তোলার সময় এক সাংবাদিককে মারধর করেছেন এক মাতাল শিক্ষানবিস সহকারী পুলিশ সুপার। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক। শুক্রবার দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ইতালীয় নাগরিক পিয়েবোকে দেখতে গেলে শাহবাগের ঘটনা বিষয়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন সাংবাদিকরা। এ সময় মন্ত্রী তার সঙ্গে থাকা পুলিশ মহাপরিদর্শক এ কে এম শহীদুল হককে এর উত্তর দিতে বলেন। পরে পুলিশ প্রধান শহীদুল হক জানান, শাহবাগে সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারী পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে ঢাকা জেলার বিষয়টি তদন্ত করতে বলা হয়েছে। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে বারোটার দিকে শাহবাগ মোড়ে প্রেস লেখা একটি মোটরসাইকেলে থাকা দুই আরোহীকে তল্লাশির জন্য থামায় পুলিশ। এ সময় সেখানে থাকা এশিয়ান টেলিভিশনের সাংবাদিক নূরে আলম ছবি তুলতে গেলে তাকে মারধর করেন মোটরসাইকেলের দুই আরোহী। পুলিশ এগিয়ে গেলে তাদের ওপরও চড়াও হন তারা। পরে দুজনকে ধরে শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। শাহবাগের ওসি আবু বকর সিদ্দিক জানান, দুজনের পরিচয় যাচাই করে দেখেছি। এদের একজন সাভার থানায় নিয়োজিত শিক্ষানবিস এএসপি মশিউর রহমান। আরেকজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আতিকুল বাশার। একজন ‘একটু বেশি মাতাল’ ছিলেন বলে জানান ওসি। ঘটনার পর এশিয়ান টেভির প্রধান বার্তা সম্পাদক সেলিম খান শাহবাগ থানায় ঘটনার কথা উল্লেখ করে একটি জিডি করেছেন বলে ওসি জানান।

সাদা পোশাকে একটি মোটরসাইকেলে ছিলেন মশিউর রহমান। আর মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন ছাত্রলীগের ওই সাবেক নেতা। তল্লাশি চৌকির সামনে এলে পুলিশ মোটরসাইকেলটি থামায়। সেখানে আগে থেকেই নিরাপত্তা নিয়ে এশিয়ান টিভির দুই সাংবাদিক ছবি নিচ্ছিলেন। পুলিশের সঙ্গে কথাও বলছিলেন। মোটরসাইকেল আরোহী দুজনের ছবি নেয়ার একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আতিকুল বাশার ও মশিউর রহমান তাদের ওপর চড়াও হন। পুলিশ সূত্র বলছে, দুজনই মদ্যপ ছিলেন।