২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চট্টগ্রামে গণপরিবহন নির্দিষ্ট রুট মানছে না

আহমেদ হুমায়ুন, চট্টগ্রাম অফিস ॥ বন্দর নগরী চট্টগ্রামে রুট মানছে না গণপরিবহন। বিআরটিএর অনুমোদন এক রুটে থাকলেও গাড়ি চলাচল করছে অন্য রুটে। নির্ধারিত রুটে চললেও শেষ গন্তব্যে না গিয়ে নিজেদের সুবিধামত এলাকা পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন করছে চালকরা। তার ওপর কয়েকটি রুটের পরিবহন অফিস সময়ে নিয়মিত রিজার্ভ সার্ভিস হিসেবে সেবা দিচ্ছে। এতে নগরীর নি¤œ ও মধ্য আয়ের মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন। বিশেষ করে সকালে অফিসগামী এবং বিকেলে অফিস ফেরত যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। যানবাহন সঙ্কটে তাদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় কাটিয়ে দিতে হচ্ছে।

এদিকে চালক ও সহকারীদের যোগসাজশে দিনের পর দিন সড়কে নৈরাজ্য চলতে থাকলেও এটি দেখার কেউ নেই। নগর ট্রাফিক পুলিশ নীরব দর্শক। ট্রাফিক পুলিশরা উৎকোচ গ্রহণ করে উল্টো চালকদের এমন সুযোগ করে দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

অফিস সময়ে রিজার্ভ ভাড়া নেয়া এবং রুট মেনে না চলার বিষয়টি স্বীকার করেছেন ডিসি ট্রাফিক মাসুদুল হাসান। তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযোগ আমাদের কাছে এসেছে। রুট মেনে না চলার কারণে ট্রাফিক পুলিশ মাঝে মাঝে জরিমানাও করছে, তারপরও গাড়ি চালকরা মানে না। আর রিজার্ভ পরিবহন বন্ধের জন্য আমরা মালিক পক্ষকে জানিয়ে দিয়েছি। পাশাপাশি ইপিজেডের গার্মেন্টস মালিকদের নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা করতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরীর অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত (কাটগড়) থেকে কালুরঘাট পর্যন্ত ১০ নম্বর রুটের বাস চলাচলের কথা থাকলেও অধিকাংশ সময়ই চালকরা বহদ্দারহাট পর্যন্ত যাত্রী পরিবহন করে।

না হয় ইপিজেড থেকে রিজার্ভ ভাড়ায় গার্মেন্টসকর্মীদের আনা- নেয়ার কাজ করছে। অপরদিকে কালুরঘাটে বাসস্ট্যান্ড থাকলেও ১০ নম্বর ও ১ নম্বর বাসগুলো বহদ্দারহাট পুলিশ বক্সের সামনে অঘোষিত টার্মিনাল বানিয়ে সেখানে সড়কের উপর যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছে। এতে ওই মোড়ে নিত্য যানজটের সৃষ্টি হয়। একই অবস্থা অপর প্রান্তেও কাটগড় পর্যন্ত যাওয়ার কথা থাকলেও ওই প্রান্ত পর্যন্ত যাচ্ছে না। বেশিরভাগ সময় কাটগড়ের পরিবর্তে ইপিজেড পর্যন্ত গিয়ে ফিরে আসছে।