১০ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিপিএলের বর্ণিল উদ্বোধন

  • বিপিএলের উদ্বোধন ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী, হৃতিক, জ্যাকুলিনে মাতল বাংলাদেশ

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল-টি২০) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আকর্ষণের মধ্যমণি ছিলেন একজনই। তিনি বলিউড তারকা অভিনেতা ঋত্বিক রোশান। তার সঙ্গে আকর্ষণে ছিলেন ভারতীয় অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ। এ দু’জন বাংলাদেশ মাতালেন। মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুক্রবার ১০ হাজার দর্শকের মত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান উপভোগ করেছেন। তবে পুরো বাংলাদেশের মানুষের দৃষ্টিই ছিল মিরপুরে। ঋত্বিক আর জ্যাকলিনের পারফর্ম মুগ্ধ করেছে সবাইকেই।

এ দু’জন মঞ্চ মাতানোর আগে বিপিএলের তৃতীয় আসরের উদ্বোধন ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। অনুষ্ঠান শুরু হয় বেলা ৫টা ৩০ মিনিটে। মডেল ও অভিনেত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ’য়ের নৃত্য পরিবেশনা দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয়। যেমনটি কথা ছিল দেশীয় শিল্পী দিয়ে বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হবে, শেষ হবে ঋত্বিক রোশানের পারফর্ম দিয়ে। তাই হয়েছে। মৌ’য়ের নৃত্য শেষে এলআরবি’র আইয়ুব বাচ্চু মাতান মিরপুর স্টেডিয়াম। তার ‘লোক শহরে’, ‘সেই তুমি’, ‘হাসতে দেখ, গাইতে দেখ’, ‘রাখে আল্লাহ মারে কে’, ‘মন চাইলে মন দেব’Ñগানগুলোতে স্টেডিয়ামের দর্শকরা মাতেন। কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে দিয়ে একেকজন পারফর্ম করতে আসেন। আর মাঝখানের সময়টুকুতে মডেল ও নায়িকা নুসরাত ফারিয়া উপস্থাপনা করে দর্শকদের উৎসাহ দিতে থাকেন। তবে চিরকুট এসে খুব বেশি একটা মাতাতে পারেননি। তাদের ‘ধন ধান্য পুষ্পে ভরা’-গানটিতে সবাই খানিক তাল মেলান। আর ‘কানামাছি সত্য, কানামাছি মিথ্যা’-গানটিই একটু তাল উঠাতে পেরেছে। অবশ্য চিরকুট শেষেই গান গাইতে আসেন বাংলার ফোক সম্রাজ্ঞী মমতাজ। দর্শকরা চিৎকার করতে থাকেন। মমতাজ যখন ‘বিশ্বজয়ের স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চল’, ‘পোলাতো নয় আগুনেরই গোলা’, ‘আগে যদি জানতাম রে বন্ধু’, ‘খায়রুনলো’-গানগুলোয় স্টেডিয়াম মাতোয়ারা হয়ে ওঠে।

মমতাজের পরই অর্থমন্ত্রী বিপিএলের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। সঙ্গে বিসিবি সভাপতিও থাকেন। উদ্বোধন ঘোষণার সময় ৬ দলের ৬ ক্রিকেটার থাকেন। আইকন ক্রিকেটারদের মধ্যে শুধু সাকিব আল হাসান থাকতে পারেননি।

তার পরিবর্তে সৌম্য সরকার থাকেন। সব ক্রিকেটারই বিপিএলে নিজেদের সেরাটা দেয়া এবং খেলা যেন উপভোগ্য হয় সেই চেষ্টার কথা বলেন। পুরো অনুষ্ঠান জুড়ে শুধু এ সময়টাতেই ক্রিকেট থাকে। বাকিটা সময় জুড়েই শুধু নৃত্য আর গান থাকে। শেষদিকে আতশবাজি ও লেজার শো হয়। এরআগে কে কে গান গেয়ে মাতান। ঋত্বিক ও জ্যাকলিনের পারফর্মের মধ্য দিয়েই শেষ হয় বিপিএলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।