২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পিঠা নিয়ে গবেষণা করেন মুক্তি

ঢাকার দোহারের মেয়ে নিগার সুলতানা মুক্তি। বৈবাহিকসূত্রে পার্বতীপুর শহরের গুলশাননগরের বাসিন্দা। রাজনীতিক ক্রীড়া সংগঠক আমজাদ হোসেন তার স্বামী। সুস্বাদু পিঠা তৈরিতে তার সুনাম রয়েছে। ছিট পিঠা : চালের গুঁড়া মিহি করে বেটে পরিমাণ মতো লবণ, হালকা বেকিং পাউডার ও সয়াবিন তেল মিশিয়ে ম- তৈরি হলে তা কড়াই বা ফ্রাইপ্যানে হাত দিয়ে ছিটিয়ে পিঠা তৈরি করতে হয়। পাখন পিঠা : আতপ চালের পাতলা রুটির ভেতরে নারকেলের তৈরি বরফি ডিজাইন করে ডুবু তেলে ভাজতে হয়। এ পিঠা বহুদিন ঘরে রেখে খাওয়া যায়। মুখশোলা পিঠা : চালের গুঁড়া প্রথমে চিনি বা গুড় দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হয়। তারপর ঘি মিশিয়ে রুটির মতো বেলে দুধের ক্ষীর ভেতরে ভরে ডিজাইন করে তেলে ভাজতে হয়। দুধকুলি পিঠা : প্রথমে চালের আটা হালকা লবণ দিয়ে সিদ্ধ করে নিতে হয়। তারপর লুচির মতো বানিয়ে দুধের ক্ষীর ভেতরে ভরে ছিদ্রযুক্ত ছাঁকনির সাহায্যে গরম পানির পাত্রে ঢেলে সিদ্ধ করে নিতে হয়। এই পিঠা এমনিতে অথবা দুধে ভিজিয়ে খাওয়া যায়। এ কারণে এ পিঠা দুধকুলি পিঠা নামে পরিচিত। মোরগ শংসা পিঠা : মুরগির মাংস কিমার মতো করে কেটে হালকা মসলা দিয়ে ভুনা করতে হয়। তারপর আতপ চালের আটা দিয়ে রুটি বানাতে হয়। তারপর কিমা করা মাংস রুটির ভেতর ভরে ইচ্ছামতো ডিজাইন করে ভর তেলে ভাজতে হয়। এই পিঠা গরম অবস্থায় খেলে বেশি স্বাদ পাওয়া যায়। পাড়া-পড়শিদের অনেকের বাড়িতে এখন এসব পিঠা দেখা যায়। মুক্তি জানিয়েছেন, এ অঞ্চলের প্রচলিত শীতকালীন ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা ও তেলপিঠার পাশাপাশি এসব পিঠা পরিচিত করতে তিনি পিঠা প্রদশর্নী করতে চান।

Ñশ.আ.ম. হায়দার, পার্বতীপুর থেকে

নির্বাচিত সংবাদ
এই মাত্রা পাওয়া