২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

‘যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা পাবার কোনো সুযোগ নেই’

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ॥ গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেছেন, রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা পাবার কোনো সুযোগ নেই। যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের প্রাণভিক্ষা চেয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করার প্রতিক্রিয়ায় শনিবার বিকেলে শাহবাগে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধের বিচারের মামলায় অপরাধীরা একটি পক্ষ, আরেকটি পক্ষ হচ্ছে বাংলাদেশের জনগণ। সুতরাং জনগণের আকাঙ্খার বিরুদ্ধে গিয়ে রাষ্ট্রপতির ক্ষমা করবার কোনো সুযোগ নেই। যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করার দাবিতে শনিবার দিনভর শাহবাগে অবস্থান করেছেন গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী-সংগঠকেরা। এর আগের দিনও তারা গণঅবস্থান করেছেন। দিনভর অবস্থানে সেখানে স্লোগান, আবৃত্তি, জাগরণের গান, বক্তৃতা, ফুলের আলপনা, মোমবাতি প্রজ্জ্বালনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন। ইমরান এইচ সরকার বলেছেন, ফাঁসি কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত তাঁরা এখানে থাকবেন।

শনিবার বিকেলে এক প্রতিক্রিয়ায় ইমরান এইচ সরকার সাংবাদিকদের বলেন, সাকা মুজাহিদ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার যে আবেদন করেছে তাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। কেননা রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমাপ্রার্থনার আগে তাদেরকে সকল অপরাধ স্বীকার করতে হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তাদের মধ্যে যে কোনো আদর্শ নেই, শুধুমাত্র অর্থনৈতিক কারণেই স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল সেটা প্রমাণ হয়েছে।

ইমরান আরো বলেন, ২০১৩ সালে তরুণদের জাগরণের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে যুদ্ধাপরাধীদের প্রতি কোনো অনুকম্পা প্রদর্শনের ক্ষমতা কোনো শাসক বা কারো সুযোগ নেই। যদি কোন অনুকম্পা করা হয় তাহলে তরুণরা অতীতের ন্যায় রুখে দাঁড়াবে।

সাকা চৌধুরীকে নিয়ে বিএনপি বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইমরান আরে বলেন, এই বিষয়টিকে আমরা প্রত্যাখ্যান করেছি। তারা যেসব বক্তব্য দিয়েছে এর মধ্য দিয়ে আদতে তারা এতদিন যেটা দাবি করে এসেছে তারাও মুক্তিযোদ্ধাদের দল তাদের দলেও মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে, একদিকে তারা তাদের দলের ভেতরে থাকা মুক্তিযোদ্ধাদের অপমান করেছে অন্যদিকে তাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান যিনি একজন প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা তাকেও অপমান করছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কোনো মানুষের এখন বিএনপি করবার সুযোগ দলটির বর্তমান নীতিনির্ধারকরা রাখেননি বলে মন্তব্য করেন তিনি।