২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অক্টোবরে সব দেশ থেকে প্রবাসী আয় কমেছে

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে প্রবাসী বাংলাদেশীরা ২৮৭ কোটি ৮৯ লাখ ডলারের সমপরিমাণ রেমিটেন্স পাঠিয়েছে। একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়া অন্যান্য দেশ থেকে ২১৫ কোটি ১২ লাখ ডলারের রেমিটেন্স এসেছে। তবে একক মাস হিসেবে অক্টোবরে সব দেশ থেকে রেমিটেন্স কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেশভিত্তিক রেমিটেন্স প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম চার মাসে প্রবাসীরা মোট ৫০৩ কোটি ২০ লাখ ডলারের রেমিটেন্স দেশে পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে জুলাইতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে ৭৮ কোটি ৫১ লাখ ডলার রেমিটেন্স পাঠানো হয়। এরপরে আগস্টে সেটা কমে ৬৮ কোটি ৫৮ লাখে দাঁড়ায়। পরের মাস সেপ্টেম্বরে রেমিটেন্স প্রবাহ বেড়ে যায়। ওই মাসে প্রবাসীরা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ থেকে ৭৬ কোটি ৫৭ লাখ ডলারের সমপরিমাণ অর্থ রেমিটেন্স এদেশে পাঠায়। কিন্তু অক্টোবরে সেটা কমে ৬৪ কোটি ২৫ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

বরাবরের মতোই রেমিটেন্সে শীর্ষে রয়েছে সৌদি আরব। চার মাসে এদেশ থেকে মোট ১০২ কোটি ৫২ লাখ ডলারের রেমিটেন্স এসেছে। সৌদির পরেই সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে ৮৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছে। এরপরেই প্রবাসীরা কুয়েত থেকে ৩৩ কোটি ৮০ লাখ, ওমান থেকে ৩১ কোটি, বাইরাইন থেকে ১৮ কোটি ৯ লাখ ও কাতার ১১ কোটি ৮২ লাখ ডলারের রেমিটেন্স পাঠিয়েছে।

অন্যদিকে একই সময়ে অন্যান্য দেশগুলো থেকেও রেমিটেন্সের পরিমাণ কমেছে। অর্থবছরের চার মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে রেমিটেন্স এসেছে ৮৫ কোটি ৯৮ লাখ ডলার। একই সময়ে যুক্তরাজ্য থেকে এসেছে ২৮ কোটি ৭৯ লাখ ডলার। এছাড়া মালয়েশিয়া থেকে ৪৩ কোটি ৮১ লাখ, সিঙ্গাপুর থেকে ১২ কোটি ৪৫ লাখ, ইতালি থেকে ১২ কোটি ৯ লাখ ও অন্যান্য দেশ থেকে ২৫ কোটি ৭১ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছে। এসব দেশ থেকে সেপ্টেম্বরে ৫৮ কোটি ৩৪ লাখ ডলার রেমিটেন্স আসলেও অক্টোবরে সেটা কমে ৪৫ কোটি ৬০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে জনশক্তি রফতানি কমে যাওয়া, সে দেশগুলোতে বিদ্যমান রাজনৈতিক অস্থিরতা, বেসরকারী পর্যায়ে জনশক্তি রফতানিতে অনীহাসহ বিভিন্ন কারণে রেমিটেন্স প্রবাহ নেতিবাচক ধারায় রয়েছে। গত দুই মাসে কাক্সিক্ষত পরিমাণের রেমিটেন্স দেশে এসেছিল, সে হিসেবে অক্টোবরে কিছু কমেছে।

মিয়া ফজলে করিম ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা

বিশিষ্ট বীমাবিদ মিয়া ফজলে করিম সম্প্রতি ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৮ সনে বিকম (অনার্স) ডিগ্রী লাভ করেন এবং ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) থেকে চার্টার্ড এ্যাকাউন্ট্যান্ট ডিগ্রী লাভ করেন। -বিজ্ঞপ্তি