২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অফ সিজনে তরমুজ

  • রাজীব হাসান কচি

চুয়াডাঙ্গায় অফ সিজনে চাষ হচ্ছে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ। ব্যাপক লাভ হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ বেড়েছে। তরমুজ এখন আর মৌসুমী ফল নয়। এই অফ সিজনে বাজারে সরবরাহ কম থাকায় চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে চুয়াডাঙ্গার তরমুজ। সত্তর দিনের আবাদে বিঘাপ্রতি উৎপাদন হয় ৮০-১০০ মণ, যার বাজারমূল্য প্রতি কেজি ৬৫-৮০ টাকা হিসেবে দুই খেকে তিন লাখ টাকা। খরচ বাদে লাভ হয় প্রায় দেড় থেকে আড়াই লাখ টাকা। চুয়াডাঙ্গা জেলার সর্বত্রই লম্বা লম্বা মাচায় ঝুলছে শত শত তরমুজ। প্রতিটি তরমুজের ওজন দুই থেকে সাড়ে তিন কেজি। বীজ বপনের ৪০ দিনের মাথায় ফুল থেকে ফল আসে। আর ফল ধরার ৩০-৩৫ দিন হলে খাওয়ার উপযোগী হয়। বছরে দু-তিনবার আবাদ করা হচ্ছে তরমুজ। এখানে ব্লাক বেবি, জেসমিন-১ ও ২ জাতের তরমুজ বেশি চাষ হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ সূত্রে জানা গেছে, জেলার চার উপজেলায় গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ হয়েছে ৬শ’ বিঘা জমিতে। অনেক কৃষক রোজাকে সামনে রেখে তরমুজ আবাদ করেছিলেন। রোজার বেচাকেনা শেষে পরে আবার সেই জমিতে তরমুজ আবাদ করা হয়েছে। এ তরমুজ বাজারে উঠতে শুরু করেছে। চুয়াডাঙ্গায় খুচরা বাজারে প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৮০ টাকা। বৈশাখ মাসের শুরুতে চাষ করলে বছরে একই জমিতে তিনবার চাষ করা যায়। প্রথমবার এক বিঘা আবাদে খরচ ৪০-৪৫ হাজার টাকা। পরের বার খরচ কিছুটা কমে আসে। এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক নির্মল কুমার দে বলেন, এটি বিষমুক্ত তরমুজ। গত বছর আবাদ হয়েছিল চার বিঘা জমিতে। লাভ হওয়ায় এবার আবাদ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬শ’ বিঘা। সবজি আবাদের মতো চুয়াডাঙ্গার কৃষকরা অফ সিজনের তরমুজ আবাদে ঝুঁকে পড়েছেন। কৃষকদের ভালোভাবে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখাচ্ছে অফ সিজনের তরমুজ।