২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

যুক্তরাষ্ট্র ‘উস্কানি’ দিচ্ছে- চীন

অনলাইন ডেস্ক ॥ দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত অঞ্চলে টহলের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র রাজনৈতিক উত্তেজনা উস্কে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে চীন।

রবিবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিউ ঝেনমিন বলেন, দক্ষিণ চীন সাগরের কৃত্রিম দ্বীপে সামরিক সুবিধা বাড়িয়ে যাবে চীন। দ্বীপের সুরক্ষার জন্য সামরিক সুবিধা বাড়ানো প্রয়োজন।

২০১৪ সালে দক্ষিণ চীন সাগরের স্প্যার্টলি দ্বীপমালার সুবি ও মিসচিফ শৈলশ্রেণী দুটিতে বালু ফেলে দ্বীপ তৈরি করে চীন। কৃত্রিম এ দ্বীপের চারদিকের ১২ নটিক্যাল মাইল এলাকাকে চীন নিজের জলসীমা বলে দাবি করছে।

ওদিকে, নৌ-চলাচলে স্বাধীনতার কথা বলে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ চীন সাগরে যুদ্ধজাহাজ ও জঙ্গি বিমান পাঠিয়ে টহলের ব্যবস্থা করেছে।

‘কৌশলগত জলপথে নৌচলাচলের স্বাধীনতার কথা বলে’ টহল দেয়ার গোঁ ধরে ওয়াশিংটন বেইজিংয়ের ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন লিউ।

এ মাসের শুরুর দিকে চীনের কৃত্রিম দ্বীপের কাছ দিয়ে দুটি মার্কিন বি-৫২ যুদ্ধবিমান উড়ে যায়। তার আগে অক্টোবরের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রবাহী একটি যুদ্ধজাহাজ দ্বীপটির ১২ নটিক্যাল মাইলের মধ্য দিয়ে টহল দেয়। মার্কিন যুদ্ধজাহাজ টহল দেয়ার ঘটনায় তখন ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল চীন।

লিউ বলেন, “এবার যুক্তরাষ্ট্র চীনের দ্বীপ ও শৈলশ্রেণীর ১২ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে যুদ্ধ জাহাজ পাঠিয়েছে, যা খুবই গুরুতর বিষয়। নৌচলাচলের স্বাধীনতার কথা বলে এটি করা হয়েছে। এটি আসলে রাজনৈতিক উস্কানি এবং চীন কিভাবে এর জবাব দেয় সেটা দেখতেই তারা একাজ করেছে।”

এর আগে শনিবার ‍যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা দক্ষিণ চীন সাগরের আশেপাশের দেশগুলোকে কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি এবং সেখানে দাবিকৃত অঞ্চলে সামরিক সুবিধা বাড়ানো বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্রে তাদের স্বাধীন নৌচলাচল করার অধিকার অক্ষুন্ন রাখবে।

চীন ছাড়াও ভিয়েতনাম, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান এবং ব্রুনাইও দক্ষিন চীন সাগরে বিভিন্ন অঞ্চল নিজেদের বলে দাবি করে আসছে।