২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ওয়াশিংটনে টিকফা বৈঠক শুরু আজ, মূল এজেন্ডা জিএসপি

কূটনৈতিক রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরামের (টিকফা) বৈঠক আজ সোমবার ওয়াশিংটনে শুরু হচ্ছে। টিকফা বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধার (জিএসপি) বিষয়টি তুলে ধরা হবে। এছাড়া বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্রগুলো নিয়েও আলোচনা হবে। এদিকে রবিবার ঢাকার মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ ইতোমধ্যেই ৬০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, টিকফা বৈঠকে বাংলাদেশের মূল এজেন্ডা হলো যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা বা জিএসপি ফিরে পাওয়া। জিএসপি ফিরে পাওয়া নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের কাছে শ্রমমান উন্নয়নে যে ১৬ দফার শর্ত দেয়া হয়েছে, সেসব শর্ত পালনেও সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। সে কারণে জিএসপির বিষয়ে জোর দিতে চায় বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল। সূত্র জানায়, জিএসপি ফিরে পাওয়া গেলে বাংলাদেশ

যে আর্থিকভাবে খুব লাভবান হবে, বিষয়টি তেমন নয়। তবে জিএসপি থাকাটা সুনামের ব্যাপার। টিকফা বৈঠকের শুরুতেই বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা ফেরত দেয়ার বিষয়টি আলোচনায় তোলা হবে। বাংলাদেশ মনে করে টিকফার সফলতা নির্ভর করে জিএসপি সুবিধা ফিরে পাওয়ার ওপর। সে জন্য জিএসপি ফিরে পাওয়ার ওপরেই বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল বৈঠকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেবে। জিএসপি ফিরে পাওয়ার বিষয়টি বাংলাদেশ একটি ‘ইমেজ’ হিসেবে দেখছে।

রবিবার ঢাকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওয়াশিংটনে সোমবার বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টিকফা বৈঠক হবে। টিকফা ফোরামের বৈঠকে বাংলাদেশের সিনিয়র বাণিজ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি মাইকেল ডিলানি সহ-সভাপতিত্ব করবেন।

মার্কিন দূতাবাসের মিশন উপপ্রধান ডেভিড মিলি টিকফা বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন। বৈঠকের বিষয়ে ডেভিড মিলি বলেন, এই দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা আরও বিস্তৃত করাই হচ্ছে টিকফার প্রধান কাজ। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে অনেক নতুন সম্ভাবনাময় দিক যেমন, ওষুধ শিল্প থেকে শুরু করে অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিনিয়োগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে আলোচনা হবে।