১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রজন্ম চায় রাজাকারমুক্ত দেশ

  • সাকা-মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করায় দেশজুড়ে আনন্দ উল্লাস ও মিষ্টি বিতরণ

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ দুই শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করায় সারাদেশে আনন্দ উল্লাস, মিষ্টি বিতরণ করেন মুক্তিযোদ্ধা এবং জনতা, রাজনীতিক, পেশাজীবীসহ সর্বস্তরের মানুষ। খবর স্টাফ রিপোর্টার ও নিজস্ব সংবাদদাতাদের-

রাজশাহী

দুই শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় কার্যকরকে একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বরের বিজয়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন রাজশাহীর মুক্তিযোদ্ধারা। যা ইতিহাসে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে বলে মনে করছেন তারা। আর রাজাকার আলবদরমুক্ত মাতৃভূমি চান রাজশাহীর নতুন প্রজন্ম। তাদের বিশ্বাস যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করে এ সরকার নতুন প্রজন্মের জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দেশ উপহার দিয়ে যাবে। নতুন প্রজন্মের পক্ষ থেকে বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে তরুণ কবি শামীম হোসেন বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও বাংলা ভাষা কলঙ্কমুক্ত হচ্ছে। আমরা তরুণ প্রজন্ম এ দেশে রাজাকার আলবদরদের দেখতে চাইনা। এ সরকার রাজাকার আলবদর মুক্ত স্বাধীন মাতৃভূমি আমাদের জন্য তৈরী করে দিবেন এটা এখন বিশ্বাস করেন-বলেন কবি শামীম হোসেন।

আর একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বরের বিজয়ের সঙ্গে তুলনা করে শনিবার রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে মুক্তিযোদ্ধাদের দ্বিতীয় বিজয় হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন রাজশাহী মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ডা. আবদুল মান্নান।

তিনি বলেন, শীর্ষ দুই যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার পরে আমরা মনে করছি ১৬ ডিসেম্বরের মতই মুক্তিযোদ্ধাদের আরেকটি বিজয় হয়েছে। এতে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমরা গর্ববোধ করছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ গ্রহন ও রায় কার্যকর করায় আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নান আরও বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মধ্যে দিয়ে প্রমান হয়েছে এ দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পেয়েছে, দেশ, জাতি ও মুক্তিযোদ্ধারা কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। যা ইতিহাসে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। আরও যারা যুদ্ধাপরাধী রয়েছে তাদেরও বিচার দ্রুত সম্পন্ন ও রায় কার্যকর দেখে যেতে চান ওই মুক্তিযোদ্ধা।

মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল বলেন, বাবা-চাচাসহ আমার পরিবার থেকে ১৩ জন জীবন দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধে। দেরিতে হলেও এ ধরণের জঘন্যতম অপরাধীদের বিচার ও রায় কার্যকর হচ্ছে এতে আমি অনেক খুশি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মধ্য দিয়ে এ ধরণের জঘন্যতম অপরাধ করার আর কেউ সাহস বা কল্পনা করতে পারবে না আমি মনি করি।

এদিকে, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মৃত্যুদ- কার্যকর করায় রাজশাহীতে মিষ্টি বিতরণ করেছে জাতীয় শ্রমিক লীগ ও মহানগর যুব শ্রমিক লীগের নেতারা। রবিবার দুপুরে নগরীর কুমারপাড়াস্থ মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করেন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে মহানগর জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি বদিউজ্জামান খায়ের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শরীফ আলী মুনমুন, যুব শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক চঞ্চল কুমার সেন উপস্থিত ছিলেন।

বগুড়া

৭১’র ঘাতক যুদ্ধাপরাধী মুজাহিদ ও সাকা চৌধুরীর ফাঁসির দণ্ড কার্যকর রবিবার বগুড়ায় আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ হয়েছে। এতে আওয়ামীলীগ যুবলীগ ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীসহ অন্যান্যরা অংশ নেয়। দুপুরে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে থেকে আনন্দ মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিন,সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনু, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সাগর কুমার রায়, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আসাদুর রহমান দুলু, যুবলীগ নেতা আমিনুল ইসলাম ডাবলু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাঈমুর রাজ্জাক তিতাস,সাধারণ সম্পাদক অসীম কুমার রায় সহ অন্যান্য নেতৃবন্দ বক্তব্য রাখেন।

যশোর

যশোরে ১৫ মণ মিষ্টি বিতরণ করেছে জেলা আওয়ামী লীগ। রবিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শহরময় ও শহরতলীতে এ মিষ্টি বিতরণ করা হয়। সকালেই দলীয় কার্যালয়ে ভিড় করে নেতাকর্মীরা। এ সময় ট্রাকে করে ১০ মন মিষ্টি নিয়ে আসেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন চাকলাদার। তিনি যশোরের মুক্তিযোদ্ধা, দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মুখে মিষ্টি তুলে দেন। এরপর নেতাকর্মীরা একে অন্যকে মিষ্টিমুখ করিয়ে উল্লাস প্রকাশ করে। পরে শহরের মনিহার চত্বর, খাজুরা স্ট্যান্ড, রেলগেট, বেজপাড়া, শংকরপুর, চুয়াডাঙ্গা স্ট্যান্ডসহ শহরের ১০টি পয়েন্টে ও শহরতলীর বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে মিষ্টিমুখ করানো হয়। সবমিলিয়ে শহর ও শহরতলীতে ১৫ মণ মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে।

দিনাজপুর

জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড কাউন্সিল শহরে আনন্দ মিছিল বের করে। মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সিদ্দিক গজনবী, ডেপুটি কমান্ডার সাইদুর রহমান ও আব্দুল জলিল, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ফরিদুল ইসলাম, সদর কমান্ডার লোকমান হাকিম প্রমুখ। দুপুর ১২টায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবু ইবনে রজব ও সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া জাকিরের নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল শহরের প্রধান সড়ক সমূহ প্রদক্ষিণ করে।

ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহ শহরে আনন্দ মিছিল শেষে মিষ্টি বিতরণ ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ ও জাসদ। শহরের ছোট বাজার থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগের মিছিল বের হয়ে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করেছে। বক্তব্য রাখেন সাবেক কমান্ডার আব্দুর রব। অপরদিকে জাসদ দলীয় কার্যালয় থেকে আনন্দ মিছিল নিয়ে গাঙিনাপাড় ট্রাফিক মোড়ে সমাবেশ করেছে।

বরিশাল

রবিবার সকালে আনন্দ মিছিল করেছে বীর মুক্তিযোদ্ধারা। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কার জেলার উত্তর জনপদের মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও গৌরনদী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সৈয়দ মনিরুল ইসলাম বুলেট ছিন্টুর নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল শেষে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। মিছিলে উপজেলা, পৌর ও সাত ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের নেতৃবৃন্দরা অংশগ্রহণ করেন। অপরদিকে শনিবার গভীর রাত দেড়টার দিকে নগরীতে বাদ্যযন্ত্র নিয়ে আনন্দ উল্লাস করে মিছিল করেছেন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

খুলনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন খুলনার মুক্তিযোদ্ধারা। রবিবার মুক্তিযোদ্ধা ও কমান্ডার্স ঐক্য ফোরাম ৮ ও ৯ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধা নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে এ অভিনন্দন জানান।

বিবৃতিদাতারা হলেনÑ সংগঠনের মহাসচিব মুক্তিযোদ্ধা শাহীন, মুক্তিযুদ্ধকালীন দক্ষিণাঞ্চলের মুজিব বাহিনীর অধিনায়ক মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামরুজ্জামান টুকু, বৃহত্তর খুলনার উপঅধিনায়ক ইউনুস আলী ইনু, সাব-সেক্টর কমান্ডার লে. কর্নেল (অব) এ এইচ এম গাফফার (বীরউত্তম), সাব-সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব) জিয়াউদ্দিন, সাব-সেক্টরেরসহ অধিনায়ক মেজর (অব) এ এস এম শামসুল আরেফিন, সাব-সেক্টরের সহঅধিনায়ক ক্যাপ্টেন (অব) মাহফুজ আলম বেগ, সাব-সেক্টরের সহঅধিনায়ক লে. (অব) শচীন কর্মকার, যুদ্ধকালীন সহঅধিনায়ক মেজর (অব) জামশেদ হোসেন, শেখ আব্দুল কাইয়ুম, শাহাদত হোসেন বাচ্চু প্রমুখ। এছাড়া বিবৃতি দিয়েছেনÑ খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্বদ্যিালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. আহমেদ আহসানুজ্জামান, খুবি’র স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. অনির্বাণ মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. কাজী শাহনেওয়াজ রিপন।

কুড়িগ্রাম

জেলা ছাত্রলীগ আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করে। কলেজ মোড় এলাকা থেকে বের হয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেনÑ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ওয়াহেদুন্নবী সাগর, সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম সাকিব, আনিছুর রহমান চাঁদ, মিনহাজুল ইসলাম আইয়ুব প্রমুখ।

বাগেরহাট

রাতে ফাঁসির রায় কার্যকরের পরপরই জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে আনন্দ মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পথসভায় মিলিত হয়। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চিরঞ্জিব বিশ্বাস সানির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক নাহিয়ান আল সুলতান ওশানসহ বক্তৃতা করেনÑ মনির হোসেন, গাজী সালমান শুভ, পিসি কলেজের ভিপি সরদার ইয়াছির আরাফাত নোমান, সাধারণ সম্পাদক অরূপ সাহা, শহর ছাত্রলীগের সভাপতি মোল্লা রাইসুল ইসলাম কৌশিক, সাধারণ সম্পাদক অলোক চক্রবর্তী প্রমুখ। অন্যদিকে কচুয়া ও শরণখোলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ রবিবার সকালে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছে।

নারায়ণগঞ্জ

রবিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সোনারগাঁয়ে মোগরাপাড়া চৌরাস্তায় উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ হয়। এ সময় সোনারগাঁ উপজেলা যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ আওয়ামী লীগের অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আনন্দ মিছিলটি সোনারগাঁ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক পদক্ষিণ করে পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় ঘুরে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়।

মাদারীপুর

রবিবার বেলা ১১টায় জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স চত্বর থেকে আনন্দ মিছিল বের হয়। মিছিলটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মাদারীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে শেষ হয়। এ সময় উকিল লাইব্রেরীর সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেনÑ মাদারীপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা কমান্ডার শাহজাহান হাওলাদার, ডেপুটি কমান্ডার এস এম হারুণ-উর-রশিদ, মুক্তিযোদ্ধা খলিলুর রহমান খান, জেলা জাসদ সভাপতি শেখ বজলুর রশিদ, জাহাঙ্গীর হোসাইন, মানাসেফ শরীফ, আতিয়ার রহমান প্রমুখ।

ঝিনাইদহ

শনিবার মধ্যরাতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র সাইদুল করিম মিন্টুর নেতৃত্বে শহরের পায়রা চত্বর থেকে আনন্দ মিছিল বের হয়। মিছিলকারীরা শহরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে একই স্থানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশ শেষে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এছাড়া রবিবার সকালে জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ঝিনাইদহ সরকারী কেসি কলেজ থেকে আনন্দ মিছিল বের হয়।

টাঙ্গাইল

সকালে নিরালা মোড় থেকে জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে একটি বিশাল আনন্দ মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের।

বরগুনা

রবিবার সকালে বরগুনা প্রেসক্লাব চত্বরে মিষ্টি বিতরণ ও সমাবেশ করেন সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ ’৭১ বরগুনা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ। এ সময় সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ ’৭১ বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি আনোয়ার হোসেন মনোয়ারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেনÑ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্বাস হোসেন মন্টু, প্রেসক্লাব সভাপতি হাসানুর রহমান ঝন্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ওয়ালিউল্লাহ অলি প্রমুখ।

পটুয়াখালী

রবিবার সকাল সাড়ে দশটায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ জেলা ইউনিট কমান্ডের উদ্যোগে সদর রোডের নিজস্ব কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে লঞ্চঘাটের সামনে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন মুক্তিযোদ্ধারা। এর আগে ফাঁসি কার্যকরের সঙ্গে সঙ্গে শহরে আনন্দ মিছিল বের করে জেলা ছাত্রলীগ।

লক্ষ্মীপুর

শনিবার রাত একটা বাজার আগে দুই যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকরের খবর টেলিভিশনে দেখার পরপরই জেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে আনন্দ মিছিল শহরের উত্তর বাজার থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এতে নেতৃত্ব দেনÑ জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদুন্নবী চৌধুরী সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন লোটাস। রবিবার সকালে জেলার রামগঞ্জ পৌর শহরের নয়টি ওয়ার্ডে পৌর মেয়র ও আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বেলাল আহম্মদের নেতৃত্বে সর্বস্তরের লোকসহ দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।