২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঈশ্বরদী স্টেশনে মৈত্রী ট্রেনে ভ্রমন সুবিধা থেকে বঞ্চিত স্থানীয়রা

ঈশ্বরদী স্টেশনে মৈত্রী ট্রেনে ভ্রমন সুবিধা থেকে বঞ্চিত স্থানীয়রা

স্টাফ রিপোর্টার, ঈশ্বরদী ॥ ঈশ্বরদী স্টেশন থেকে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে চলাচলকারী যাত্রীর সংখ্যা চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকা স্বত্বেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে উত্তরাঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন থেকে মৈত্রী ট্্েরনে ভ্রমন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। দু’দেশের মধ্যে চলাচলকারী যাত্রী সংখ্যা আশানুরুপ হওয়ার সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ২০০৮ সালের এপ্রিলে ঈশ্বরদী স্টেশন থেকে যাত্রী উঠা নামার প্রাথমিক পর্যায়ের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। পরে দু’দেশের রেলওয়ের ডিআরএম পর্যায়ের একাধিক বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। এসব বৈঠকে ইমিগ্রেশনসহ নানা সুযোগ সুবিধার বিষয়ে আলোচনায় স্থান পায়। কিন্তু অদ্যবধি এ স্টেশন থেকে যাত্রী উঠা নামার ব্যবস্থা করার চুড়ান্ত কোনো পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। এ কারনে রেলের রাজস্ব আয়ও কম হচ্ছে।

সার্কভুক্ত দেশের ট্্রানজিটের আলোকে ২০০৮ সালের ৩রা এপ্রিল দু’দেশের মধ্যে চালু করা হয় মৈত্রী এক্সপ্রেস ট্্েরন চলাচল। ট্্েরনটিতে ৩৬ টি এসি, ৮০ টি সিন্ধা, ২’শ ৮০ টি শোভন চেয়ারসহ সর্বমোট ৩’শ ২৬ টি আসনের ট্্েরন নিয়ে ঢাকা-ঈশ্বরদী-বেনাপোল ও কোলকাতার মধ্যে চলাচল শুরু করে।

ঈশ্বরদী স্টেশন থেকে মৈত্রী ট্্েরনে যাত্রী উঠা নামার ব্যবস্থা চালু করনের বিষয়ে পশ্চিমাঞ্চল রেলের পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপক আফজাল হোসেন জানান, রেল কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতার অভাব নেই। শুধু মাত্র কাস্টমস্ ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কাজ করতে না পারায় রের কর্তৃপক্ষও যাত্রী উঠা নামার ব্যবস্থা করতে পারছে না। বর্তমান অবস্থাতেই মৈত্রী ট্্েরন কমপক্ষে আরো একটি এসি চেয়ার কোচ সংযোজন করা দরকার। ঈশ্বরদী স্টেশন থেকে ট্্েরনটিতে যাত্রী উঠা নামার ব্যবস্থা চালু হলে যাত্রী সংখ্যা ও রাজস্ব আয় বহুগুনে বৃদ্ধি পাবে।