২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সমুদ্র সীমানার কাছে দ. কোরিয়ার সামরিক মহড়া

অনলাইন ডেস্ক ॥ দক্ষিণ কোরিয়া সোমবার বিরোধপূর্ণ আন্তঃকোরীয় সমুদ্র সীমানার কাছে বড় ধরণের সামরিক মহড়া করেছে। উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য ‘নির্মম প্রতিশোধের ’ হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও দেশটি এ মহড়া চালালো।

দ. কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, পাঁচ বছর আগে দ. কোরিয়ার একটি দ্বীপে উ. কোরিয়ার ভয়াবহ গোলাবর্ষণের বার্ষিকী উপলক্ষে পীত সাগরের সম্মুখ সারির দ্বীপগুলোর চারপাশে এ মহড়া চালানো হয়েছে।

২০১০ সালের ২৩ নভেম্বর ইয়নপিয়ং দ্বীপে হামলায় দুই বেসামরিক নাগরিকসহ দ. কোরিয়ার ৪ নাগরিক নিহত হয়। এ সময় দুই দেশের মধ্যে পুরো মাত্রায় যুদ্ধের আশংকা তৈরি হয়। ১৯৫০-৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের পর এটি সীমান্তে সংঘটিত সবচেয়ে গুরুতর ঘটনাগুলোর একটি। দ. কোরিয়া অতীতেও এ ঘটনার বর্ষপূর্তিতে নিজেদের শক্তির প্রদর্শন হিসেবে পীত সাগরের কাছে সামরিক মহড়া চালিয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার গোলা উ. কোরিয়ার জলসীমায় এসে পড়লে এর ‘নির্মম প্রতিশোধ’ নেওয়া হবে বলে রোববার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে উ. কোরিয়া। যদিও দ. কোরিয়াকে হুমকি দেয়া উ. কোরিয়ার অভ্যাসগত। তবে পিয়ংইয়ং সাধারণত এ ধরণের হুমকি বাস্তবায়ন করে না।

সিউল সামরিক মহড়া সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু বলেনি। তবে উ. কোরিয়া কোন ধরণের উস্কানিমূলক কর্মকান্ড চালালে এর তাৎক্ষনিক জবাব দেয়ার অঙ্গীকার করেছে দেশটি।

দিবসটি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট পার্ক গিউন-হাই এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আমি চাই আমাদের সেনাবাহিনীর সবসময় সামরিক প্রস্তুতি থাকুক যাতে তারা কোন ধরণের দ্বিধা ছাড়াই এ ধরণের হুমকি বা উস্কানি মোকাবেলা করতে পারে।’

সিউলে এক যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে হাজার হাজার সরকারি কর্মকর্তা, সৈন্য ও অন্যরা অংশ নেন।