১৫ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সাকা-মুজাহিদের ফাঁসিতে ভিয়েনায় উল্লাস

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দেশের দুই শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করায় অস্ট্রিয়া প্রবাসী বাঙালীরা উল্লাস সমাবেশ করেছে। ২২ নবেম্বর বিকেলে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার উরবানলরিস প্লাসে তারা আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েন। চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘ফাঁসি ফাঁসি সাকা-মুজাহিদের ফাঁসি’। সাকা তুই রাজাকার তুই রাজাকার। মুজাহিদ তুই রাজাকার তুই রাজাকার। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। এই উল্লাস সমাবেশে সর্বইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং অস্ট্রিয়া প্রবাসী মানবাধিকার কর্মী, লেখক, সাংবাদিক এম. নজরুল ইসলাম সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘অপরাধযজ্ঞের দীর্ঘ ৪৪ বছর পর দুই শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করায় সবার সঙ্গে আমরা প্রবাসীরাও দারুণভাবে উল্লসিত।’ তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার স্থপতির কন্যা শেখ হাসিনার ইস্পাত-দৃঢ় নেতৃত্বের পেছনে জনগণের ঐক্যবদ্ধতাই দেশী-বিদেশী সকল চক্রান্ত ব্যর্থ করে দিয়ে একাত্তরে ঘাতকদের বিচার ও রায় কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে।’ তিনি জাতিকে কলঙ্ক ও দায়মোচন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সব সহকর্মীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, অস্ট্রিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার হাফিজুর রহমান নাসিম, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম কবির, বাঙালী-অস্ট্রিয়ান হিন্দু কালচারাল এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রুহী দাস সাহা, সাংবাদিক সামছুল ইসলাম, কমিউনিটি নেতা আবদুল জলিল, আকতার হোসেন, একেএম সওকত আলী, শফিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান শ্যামল, বখতিয়ার রানা, শাহ কামাল, নয়ন হোসেন, আমিনুল ইসলাম, শাইফুল হক, মাহবুব খান শামীম, এস এম সাইফুজামান, এহশানুল হক হেলাল, ইমরুল কায়েস মানিক, আশরাফুজ্জামান, আশিকুল বারী প্রমুখ। -বিজ্ঞপ্তি

হারিয়ে যাচ্ছে স্কুলের ঘণ্টা

স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীদের কাছে ছুটির ঘণ্টা কতই না প্রিয়। ছাত্রছাত্রীরা সবসময় প্রতীক্ষায় থাকে কখন বাজবে এই ঘণ্টা। কিন্তু কালের বিবর্তনে হারিয়ে যেতে বসেছে পিতলের তৈরি এই ঘণ্টা। অনেক স্কুলেই এখন পিতলের ঘণ্টার পরিবর্তে বিদ্যুতের কলিংবেল ব্যবহার করা হয়। পুরান ঢাকার নারিন্দাস্থ কে এ হামিদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এখনও টিকে আছে পিতলের তৈরি ঘণ্টা। -জনকণ্ঠ

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন

চাঁদপুর-ফরিদপুরের ২ নং সেক্টর থেকে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর সঙ্গে লড়াই করেছে মোঃ আকরাম হোসেন। এই বীর মুক্তিযোদ্ধা জনকণ্ঠের একজন ভক্ত পাঠক। বর্তমানে থাকেন রাজধানীর মুগদা এলাকায়। প্রতিদিন চারটি করে জনকণ্ঠ পত্রিকা কেনেন তিনি। একটি থাকে তার নিজস্ব সংগ্রহের জন্য। বাকি তিনটি মুগদাবাসীকে জনকণ্ঠ পাঠে উদ্বুদ্ধ করার জন্য দেয়ালে লাগান নিজ হাতে। বর্তমান প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হতে তিনি জনকণ্ঠ পত্রিকা পড়ার পরামর্শ দেন। -জনকণ্ঠ