২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিপিএলেও এক নম্বর সাকিব

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ তিন ফরমেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই বর্তমানে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। টি২০ ক্রিকেটে এমন একজন অলরাউন্ডার যে কোন দলে থাকাটা অন্যরকম এক আত্মবিশ্বাসের কারণ। ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি২০ আসর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) তৃতীয় আসরে এবার রংপুর রাইডার্সের হয়ে খেলছেন সাকিব আল হাসান। তিন আসরে কোনবারই একই দলে খেলেননি তিনি। প্রথম আসরে খুলনা রয়েল বেঙ্গলস এবং দ্বিতীয় আসরে ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের হয়ে খেলেছেন। ব্যাটে-বলে দেখিয়েছেন দারুণ নৈপুণ্য। বিপিএলেও নৈপুণ্যের দিক থেকে সব অলরাউন্ডারকে ছাড়িয়ে সবার ওপর সাকিব। এবার তিনি বোলিংয়েও ছাড়িয়ে গেছেন দেশ-বিদেশের অন্য যে কোন বোলারকে। সোমবার বরিশাল বুলসের বিরুদ্ধে দারুণ বোলিং করে মাত্র ২৩ রানে তিনি শিকার করেন তিন উইকেট। আর এর ফলে ছাড়িয়ে গেছেন সবাইকে। এর আগে বিপিএলের শীর্ষে ছিলেন বাঁহাতি বাংলাদেশী স্পিনার এনামুল হক জুনিয়র। তিনি ২৫ ম্যাচে শিকার করেছেন ৩১ উইকেট। তিন উইকেট শিকারের পর এখন সমান ম্যাচে সাকিবের ঝুলিতে আছে ৩৩ উইকেট। বিপিএলে বেশ আঁটসাঁট সিডিউল, দম ফেলার ফুরসত নেই। এটিকে নেতিবাচক মনে করেন সাকিব। কারণ নিজেকে ফিরে পাওয়ার সময় থাকে না।

বিপিএলের প্রথম ম্যাচে সাকিবকে চিরাচরিতভাবে চেনা যায়নি। ম্যাচের আগেরদিনই সুদূর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে এসেছিলেন, পরদিনই খেলতে নামেন রংপুর রাইডার্সের হয়ে। ভ্রমণ ক্লান্তি এবং অনুশীলন না থাকায় হয়তো ব্যাটে-বলে ব্যর্থ হলেন। চিটাগাং ভাইকিংসের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মাত্র ১ রানে আউট হওয়ার পর বল হাতে কোন উইকেট পাননি। এ বিষয়ে সাকিব বলেন, ‘অবশ্যই কঠিন ভাল করা, অনুশীলনের মধ্যে না থাকলে। প্রতিম্যাচের পর দুই একদিন সময় পেলে ভাল হতো। সেক্ষেত্রে অন্তত নিজেকে ফিরে পাওয়ার সময় থাকতো। সেটা নাই। এটা নেতিবাচক একটা দিক। তবে চিন্তা করার কিছু নেই। টুর্নামেন্টটাই এমন। আর আগের দিনই কোথাও গিয়ে পরদিনই খেলতে নেমেছি এমনটা অনেকবারই হয়েছে।’ পরদিনই আবার দ্বিতীয় ম্যাচ খেলার জন্য নামতে হয়েছে সাকিবকে। ম্যাচের দিন সকালেই শুধু গা ঝালিয়ে নেয়ার মতো স্বল্প অনুশীলন করতে পেরেছেন।

কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ঠিকই বল হাতে জ্বলে উঠেছেন। বরিশাল বুলসের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই বোলিং করেছেন। ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়ে দখল করেন ৩ উইকেট। আর এটি তাকে দিয়েছে বিপিএলের শ্রেষ্ঠত্ব। ২৫ ম্যাচে এনামুল জুনিয়র ৩১ উইকেট নিয়ে এতদিন বিপিএলের ইতিহাসে ছিলেন সেরা বোলার। সমান ম্যাচে এখন সাকিবের শিকারে আছে ৩৩ উইকেট। তার নিচেই আছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের মিডিয়াম পেসার কেভন কুপার। তিনি ২১ ম্যাচে নিয়েছেন ৩২ উইকেট।