২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পৌর নির্বাচনে অংশ নিতে চান বিএনপির স্থানীয় নেতারা

অনলাইন ডেস্ক ॥ বাংলাদেশে দু'শোরও বেশী পৌরসভায় নির্বাচনের জন্যে দিন নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে বিগত সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী প্রধান বিরোধীদল বিএনপি এই স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা তা এখনো জানা যায় নি, কিন্তু বিভিন্ন নেতার বক্তব্যে স্পষ্ট যে দলটির স্থানীয় নেতারা নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক।

কমিশনের উর্ধতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামী ৩০শে ডিসেম্বর ২৩৪টি পৌরসভায় এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

স্থানীয় সরকার আইন দু'দফায় সংশোধনের পর এই প্রথমবারের মতো মেয়র পদে প্রার্থীরা তাদের রাজনৈতিক দলের প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে পারবেন।

নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ বলছেন, সংসদ নির্বাচনের মতোই রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থীরা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে পারবেন। তবে কাউন্সিলর পদগুলোতে নির্দলীয়ভাবেই ভোট হবে।

বিগত সংসদ নির্বাচন বর্জনকারী প্রধান বিরোধী দল বিএনপি এই স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়।

দলটির নেতারা এর আগে বলেছিলেন যে এ ব্যাপারে তারা দলীয় ফোরামে আলোচনা করবেন।

তবে দলটি যে নির্বাচনে অংশ নিতে ইচ্ছুক তা বিভিন্ন নেতার বক্তব্যে স্পষ্ট।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্রিগেডিয়ার (অব) হান্নান শাহ বলছেন, আগেকার নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতা সত্বেও আমাদের স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা মনে করেন যেহেতু এটা স্থানীয় নির্বাচন, তাই এ নির্বাচনে অংশ নেয়া উচিত।

বিএনপির অভিযোগ, স্থানীয় পর্যায়ে এ নির্বাচনে যারা তাদের সম্ভাব্য প্রার্থী হতে পারেন তাদের অনেকেই এখন বিভিন্ন মামলার কারণে পলাতক বা গ্রেফতার হচ্ছেন। সরকার অবশ্য বলছে, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই তাদের আটক করা হয়েছে।

হান্নান শাহ বলছেন, বিএনপির প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলেও সবার জন্য সমান সুযোগ অর্থাৎ লেভেল প্লেইং ফিল্ড আছে কিনা - তা নির্বাচন কমিশনকে খতিয়ে দেখতে হবে।

নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ অবশ্য বলছেন, যাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে তাদের গ্রেফতারের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নির্বাচন কমিশনের নেই।

"যারা নির্বাচনে অংশ নেবে, তাদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।" বলেন তিনি।

গত বছরের ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচনের পর অনুষ্ঠিত সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল ও খুলনা সিটি নির্বাচনে চারটিতেই বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছিলেন।

তবে ঢাকা ও চট্টগ্রামের সিটি নির্বাচনগুলোয় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা শেষ মুহুর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।

সূত্র: বিবিসি বাংলা