২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের অর্থনীতির লাইফ-লাইন- ও. কাদের

স্টাফ রিপোর্টার ॥ জাইকা’র অর্থায়নে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রায় সাড়ে আট হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতি ২য় সেতু এবং কাঁচপুরে একটি ফ্লাইওভার নির্মিত হতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে আজ বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে নির্বাচিত নির্মাণ ঠিকাদারদের সাথে সড়ক ও জনপথ বিভাগের চুক্তি স্বাক্ষর হয়। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি।

সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী এম. ফিরোজ ইকবাল এবং নির্মাণ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তাদের মনোনীত প্রতিনিধি জেন্টা টাবে নিজ নিজ পক্ষে স্বাক্ষর করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের অর্থনীতির লাইফ-লাইন। এ মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করার ফলে যানবাহনের চাপ ক্রমশ বাড়ছে। বিদ্যমান কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতি সেতুর উপর দিয়ে চলাচলকারী যানবাহন ইতোমধ্যে ধারণক্ষমতা অতিক্রম করেছে। এ বাস্তবতায় জাপানের অর্থায়নে গৃহীত প্রকল্পের আওতায় ৩টি নতুন সেতু নির্মাণ ও বিদ্যমান সেতু ৩টির সংস্কারকাজ শুরু হতে যাচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে। এর মধ্যে জাপান সরকার দিচ্ছে সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা।

সেতু ৩টি নির্মাণ শেষে ২০১৮ সালে যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মক্ত করে দেয়া সম্ভব হবে বলে এসময় মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে। কাদের বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চারলেনে উন্নীতকরণ কাজের ১৯২ কিমি’র মধ্যে ১৫৮ কিমি. কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। কংক্রিট পেভমেন্টসহ শেষ হয়েছে ১৬৮ কিমি’র কাজ। শীঘ্রই এ মহাসড়কের অবশিষ্ট কাজ শেষ হবে তিনি জানান। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চারলেনে উন্নীত করার পাশাপাশি স্বল্প সময়ে ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনে ৬ লেন বিশিষ্ট এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের প্রস্তুতিমূলক কাজ এগিয়ে চলছে বলে মন্ত্রী জানান। এসময় মন্ত্রী দেশের সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য জাপান সরকার এবং জাপানের জনগণকে ধন্যবাদ জানান।