১৩ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

তিউনিসিয়ায় বাসে বোমা হামলায় ১২ সেনা নিহত

তিউনিসিয়ায় প্রেসিডেন্সিয়াল গার্ড রেজিমেন্টের সেনা বহনকারী একটি বাসে বোমা বিস্ফোরণে অন্ততপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার দেশটির রাজধানী তিউনিসে মোহামেদ ভি এ্যাভিনিউয়ের এই বিস্ফোরণ আত্মঘাতী হামলা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর ওয়েবসাইটের।

বোমা বিস্ফোরণের পর রাজধানীতে সান্ধ্য আইন জারি করে দেশজুড়ে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেন তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট বেজি কায়িদ এসেবসি। বিস্ফোরণের পরপরই নিরাপত্তা বাহিনীগুলো ঘটনাস্থল ঘিরে সব ধরনের চলাচল বন্ধ করে দেয়। এক বিবৃতিতে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অন্ততপক্ষে ১২ জন রক্ষী নিহত ও আরও ১৭ জন আহত হয়েছেন।

নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রগুলো জানায়, প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে যাওয়ার উদ্দেশে শহরতলী থেকে রক্ষীদের বাসে তোলা হচ্ছিল, তখনই বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বাসটি উড়িয়ে দেয়া হয়। প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের এক সূত্র বলেছে, সম্ভবত বাসটির ভেতরে নিজের বিস্ফোরক বেল্টের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন হামলাকারী। প্রত্যক্ষদর্শী বাসেম ত্রিফি বলেন, মোহামেদ ভি সড়কে আমিও ছিলাম। আমি আমার গাড়িতে উঠতে যাব, তখনই বড় ধরনের একটি বিস্ফোরণ ঘটল। তাকিয়ে দেখলাম বাসটি উড়ে গেল। চারদিক লাশ আর রক্তে একাকার হয়ে গেল। প্রেসিডেন্ট এসেবসি তার ইউরোপ সফর বাতিল করে রাজধানীতে বুধবার ভোর ৫টা পর্যন্ত সান্ধ্য আইন জারির ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি মাসব্যাপী জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেছেন। চলতি বছর তিউনিসিয়ায় এটি তৃতীয় বড় ধরনের হামলা।

আফগানিস্তানে ১৩ সেনাকে বন্দী করেছে তালেবান

আফগানিস্তানে একটি হেলিকপ্টার ক্রাশ ল্যান্ড করার পর তালেবান গোষ্ঠীর কাছে ধরা পড়েছেন অন্ততপক্ষে ১৩ সেনা। পাশাপাশি হেলিকপ্টারটিতে থাকা আরোহীদের মধ্যে তিনজন নিহত হয়েছেন। খবর বিবিসির।

আফগান সেনাবাহিনীর ভাড়া করা ওই বেসামরিক হেলিকপ্টারটি ফারিয়াব প্রদেশে ক্রাশ ল্যান্ড করার পর তালেবান জঙ্গীদের চোরাগোপ্তা হামলার শিকার হয়। ফারিয়াব প্রদেশটি তুর্কমেনিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন। বিবিসি বলছে, অসমর্থিত খবরে জানা গেছে, হেলিকপ্টারটিতে বিদেশী নাগরিকও ছিলেন। আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা মিশনের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, কোন মার্কিন নাগরিক হেলিকপ্টারটিতে ছিলেন কিনা এ ব্যাপারে তারা নিশ্চিত নন। তালেবান গোষ্ঠীর একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ১৫ জনকে বন্দী করা হয়েছে। মুখপাত্র দামুল্লাহ ওয়াকিল বলেছেন, সেনাবাহিনী যদি উদ্ধার অভিযান বিরত না থাকে তবে আমরা তাদের হত্যা করব। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ফারিয়াব প্রদেশে তুমুল লড়াই চলছে।