২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ফের তিন শ’ কোটির ঘরে ডিএসইর লেনদেন

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ পুঁজিবাজারে দরপতন অব্যাহত রয়েছে। বুধবার অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় দেশের উভয় বাজারে সূচক কমেছে। এ নিয়ে টানা তিন দিন দরপতনে শেষ হয়েছে লেনদেন। এদিকে সূচকের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও কমছে। দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন ফের ৩০০ কোটি টাকার ঘরে নেমে এসেছে। দুইদিন আগে সোমবার প্রায় ৬০০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল প্রধান বাজারে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, পুঁজিবাজারে ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয়ে দুই বছর সময় বাড়ানো বিষয়ে অর্থমন্ত্রী ঘোষণা দেয়ার পর বাজারে কিছুটা গতি ফিরে এসেছিল। কিন্তু অর্থমন্ত্রীর ঘোষণার বাস্তবায়ন নিয়ে দৃশ্যমান কোন উদ্যোগ না থাকায় এ নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা সংশয় দেখা দিয়েছে। এ কারণে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। আবার বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেয়ার কারণেও কিছুটা দরপতন হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বুধবারের বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, দিনের শুরুতে সূচকের উর্ধমুখী ধারা বজায় থাকলেও ২০ মিনিটের ব্যবধানে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর কমতে শুরু করে। বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেয়ার কারণে বিক্রি চাপে সূচক হারাতে থাকে বাজার। লেনদেনের শেষ অবধি এ ধারা অব্যাহত থাকায় মঙ্গলবারের তুলনায় ৬.০৪ পয়েন্ট কমে শেষ হয় লেনদেন। দিনশেষে সূচক গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫৬৮.০১ পয়েন্টে। মঙ্গলবার সূচক কমেছিল ১১.০৫ পয়েন্ট।

লেনদেন হওয়া ৩১৮টি ইস্যুর মধ্যে দিনশেষে দর বেড়েছে ১১৪টির, কমেছে ১৫৩টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৫১টির দর।

অন্যদিকে পুঁজিবাজারে লেনদেনের পরিমাণ কমছেই। মঙ্গলবার ৪০০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হলেও বুধবার তা ৩০০ কোটি টাকার ঘরে নেমে এসেছে। দিনশেষে লেনদেন হয়েছে ৩৮৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। মঙ্গলবারের তুলনায় লেনদেন কমেছে ৫৫ কোটি ১৯ লাখ টাকা। মঙ্গলবার লেনদেন হয়েছিল ৪৪৩ কোটি ৩ লাখ টাকা।

দিনটিতে ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে ছিল ইফাদ অটোস। দিনশেষে কোম্পানিটির ১৮ কোটি ৬২ লাখ ৯৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা কেডিএস এক্সেসরিজের লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ৭১ লাখ ৪১ হাজার টাকা। ১২ কোটি ৬৭ লাখ ৬০ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক। এরপরে রয়েছে সাইফ পাওয়ারটেক, বেক্সিমকো ফার্মা, স্কয়ার ফার্মা, তিতাস গ্যাস, ফার কেমিক্যাল, এএফসি এগ্রোবায়োটিক, কাশেম ড্রাইসেল।