১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

জয়ের প্রত্যাশায় মুশফিকরা

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ যাকে বলে, ‘পোড়া কপাল’। মুশফিকুর রহীমদের সিলেট সুপার স্টারসের বেলায় তেমনটিই ঘটছে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগের (বিপিএল টি২০) তৃতীয় আসরের চার দিন হয়ে গেছে। দুটি ম্যাচও খেলে ফেলেছে দলটি। অথচ একটি জয়ও মেলেনি। প্রতিটি ম্যাচেই হেরেছে মাত্র ১ রানে! সেই জয়ই খুঁজে বেড়াচ্ছে সিলেট। আজ দলটি আরেকটি ম্যাচ খেলতে নামবে। টুর্নামেন্টে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচ এটি। প্রতিপক্ষ সাকিব আল হাসানের রংপুর রাইডার্স। খেলাটি দুপুর ২টায় শুরু হবে। একই দিন সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় তামিম ইকবালের চিটাগাং ভাইকিংস ও কুমার সাঙ্গাকারার ঢাকা ডায়নামাইটস মুখোমুখি হবে।

৬টি দল কম করে হলেও দুটি করে ম্যাচ খেলে ফেলেছে। কিন্তু এতটা ভাগ্য খারাপ মুশফিকের দল সিলেট সুপার স্টারসের, একটি জয়ও তাদের কপালে মেলেনি। বাকি ৫ দলই অন্তত একটি করে হলেও জয় পেয়েছে। সিলেট দুটি ম্যাচ খেলে হেরেছে, প্রতিটি ম্যাচই শেষ বলে গড়িয়েছে। হারও হয়েছে কষ্টের! আজ যে দলটির বিপক্ষে সিলেটের খেলা, সেই রংপুর অবশ্য টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই জয় পেয়েছে। এই দলটির বিপক্ষে আজ যে করেই হোক জিততে হবে সিলেটকে। না হলে টানা তিন হার হয়ে যাবে। সিলেটের অধিনায়ক মুশফিক অবশ্য আশাবাদী। তাই তো বলেছেন, ‘ব্যাটসম্যানদের কিছু করে দেখানোর প্রয়োজন। এখন মাত্র টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছে। হাতে সময় আছে কামব্যাক করার।’ দেখা যাক, এখন মুশফিকরা কামব্যাক করতে পারেন কিনা। আজ জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেন কিনা, নাকি আগের মতো হারই হয় দশা। মুশফিক যেখানে হার কিভাবে এড়ানো যায় সে চিন্তায় মগ্ন। ঠিক তেমনি চিটাগাং ভাইকিংসের অধিনায়ক তামিমের অবস্থাও একই। মঙ্গলবার পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ৩টি ম্যাচ খেলেছিল চিটাগাংই। কিন্তু সে তুলনায় হারের সংখ্যা বেশি। দুটি ম্যাচে হেরেছে। একটি ম্যাচে জিতেছে। আজ দল নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে খেলতে নামবে। এ ম্যাচে হারলে ৩ হার হয়ে যাবে। স্বাভাবিকভাবেই হার থেকে মুক্তির পথ খুঁজছেন তামিমও। তবে প্রতিপক্ষ দলটি ঢাকা ডায়নামাইটস। যারা শক্তিশালী দল। তাই পরিকল্পনা ভালভাবেই করতে হচ্ছে চিটাগাংকে।

চিটাগাং শেষ ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের কাছে হেরেছে। মাশরাফি বিন মর্তুজাকে সবাই বোলার হিসেবেই চেনেন। অথচ তিনিই কিনা ব্যাটসম্যান রূপে আবির্ভূত হয়ে ম্যাচও জিতিয়ে দেন। সেই ম্যাচে একের পর এক ক্যাচও মিস হয় চিটাগাংয়ের। তাতে কোচ মারভান আতাপাত্তু ভীষণ ক্ষেপেছেনও। এ দিকটি নিয়ে বেশি কাজ করছে চিটাগাং। আতাপাত্তুই যেমন বলেছেন, ‘ফিল্ডিংয়ের যে মান তা স্ট্যান্ডার্ড লেভেলে নেই। এ জন্য সবাইকে আরও বেশি অনুশীলন করতে হবে। ক্যাচ ড্রপ করা কোনভাবেই কাম্য নয়। ক্যাচ ড্রপের কারণেই অনেক সময় ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যায়।’ সঙ্গে যোগ করেনÑ ‘টি২০ সব সময়ই ব্যাটিংনির্ভর। বোলারদের ভূমিকা এখানে খুব কমই।’ চিটাগাং প্রতিটি ম্যাচেই বড় স্কোরই গড়ছে। কিন্তু জয় তেমনভাবে মিলছে না। সিলেট সুপার স্টারস তো শেষ ম্যাচে ১০৮ রানই করতে পারল না। এখন দেখা যাক, আজ সিলেট জয় পায় কিনা।

ক্ষুদে ক্রিকেটারদের সঙ্গে তামিম

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ মুন্সীগঞ্জ স্টেডিয়ামে জাতীয় দলের ক্রিকেটার তামিম ইকবাল বুধবার ক্ষুদে ক্রিরেকটারদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। ‘মুন্সীগঞ্জে তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য বিশ্বমানের প্রশিক্ষক তামিম ইকবাল’ শিরোনামের এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল হাসান বাদল। অনুষ্ঠানটির স্পন্সর প্রতিষ্ঠান ক্রাউন সিমেন্টের পরিচালক মোঃ আব্দুল আহাদের সভাপতিত্বে এতে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনিস-উজ-জামান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ আনাম সিদ্দিকী, ক্রাউন সিমেন্টের সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজার শৈবাল সাহা প্রমুখ। এ প্রশিক্ষণে জেলার ৭০ ক্ষুদে ক্রিকেটার অংশ নেয়। তবে এদের মধ্য থেকে ১১ জনের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়। সংক্ষিপ্ত এই প্রশিক্ষণে তামিম নিজ হাতে ব্যাট নিয়ে শিশুদের ব্যাট ধরাসহ নানা কৌশল বুঝিয়ে দেন। এ সময় ব্যাটিং নিয়ে প্রশিক্ষণার্থী ক্ষুদে ক্রিকেটারদের নানা প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেন তামিম। এদিকে জনপ্রিয় এই ক্রিকেটারের আগমনের খবরে ক্রিকেটভক্তরা হুমড়ি খেয়ে পড়ে স্টেডিয়ামে।