২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নাগপুর টেস্টের প্রথম দিনেই বোলারদের দাপট

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ নাগপুর টেস্টের প্রথম দিনেই দাপট দেখিয়েছে বোলাররা। টস জিতে ব্যাটিং নেয়া ভারত প্রথম ইনিংসে ৭৮.২ ওভারে ২১৫ রানে অলআউট। জবাবে অতিথিরাও স্বস্তিতে নেই। শেষ বিকেলে ৯ ওভারে ১১ রান তুলতেই ২ উইকেট হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ৭ রান নিয়ে ব্যাট করছেন ওপেনার ডিন এলগার। রানের খাতা খোলার অপেক্ষায় অধিনায়ক হাশিম আমলা। দুই দলের পতন হওয়া ১২ উইকেটের ৮টিই নিয়েছেন স্পিনাররা। এর থেকে বোঝা যায়, আগের দুই টেস্টের মতো এখানেও চলবে ঘূর্ণি-দাপট। উল্লেখ্য, রবিচন্দ্রন আশ্বিন, রবিন্দ্র জাদেজা ও অমিত মিশ্রর স্পিনে প্রথম টেস্টে মাত্র আড়াই দিনে বিধ্বস্ত হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। বৃষ্টিতে দ্বিতীয় টেস্ট ড্র হয়। চার ম্যাচের সিরিজে ১-০তে এগিয়ে স্বাগতিক ভারত। নাগপুর টেস্ট তাই দুই দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।

ভারতের শুরুটা মন্দ ছিল না। ১৪ ওভারে স্কোর বোর্ডে ৫০ রান জমা করেন দুই ওপেনার মুরলি বিজয় ও শিখর ধাওয়ান। মনে হচ্ছিল সফরকারী বোলারদের বিষিয়ে তুলতে প্রস্তুত স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরা। কিন্তু ১২ রান করা ধাওয়ানকে কট এ্যান্ড বোল্ড করে শুরুটা করেন ‘অকেশনাল’ ডিন এলগার। এরপর বিজয়কে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে আরেক ধাক্কা পেসার মরনে মরকেলের। ৩ চার ও ১ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন টেস্ট স্পেশালিস্ট। কে জানত দিন শেষে এ রানই হয়ে থাকবে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ! অথচ বিজয়কে সঙ্গে নিয়ে আশা জাগিয়েছিলেন কোহলি। বিজয়-চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানেকে নিয়ে যথাক্রমে ১৯, ২৫ ও ২১ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক। ব্যক্তিগত ১৩ রানে মরকেলের দারুণ এক ডেলিভারিতে পরিষ্কার বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন রাহানে। ২২ রান করা কোহলিকেও ফেরান তিনি। উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে দেন ভারত সেনাপতি।

১১৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে ভারত। এ পর্যায়ে স্বাগতিকদের বিপদ আরও বাড়ান রোহিত শর্মা। মাত্র ২ রান করে হারমারের বলে এবি ডি ভিলিয়ার্সের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। ১২৫ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। ফলে টেস্টে রোহিতের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে আরও একবার। মনে হচ্ছিল ভারত ২শ’ও করতে পারবে না। কিন্তু শেষদিকে ঋদ্ধিমান সাহা, রবিন্দ্র জাদেজা আর রবিচন্দ্রন আশ্বিন যথেষ্ট দৃঢ়তা দেখান। সপ্তম উইকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৮ রান যোগ করেন ঋদ্ধি-জাদেজা। জাদেজা ৩৪ ও ঋদ্ধিমান ৩২ রান করে ফেরেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সফল স্পিনার হারমার নেন ৪ উইকেট। ভারতের মাটিতে নিজের ক্যারিয়ারের সেরা বোলিংয়ের পথে পেসার মরনে মরকেল তুলে নেন ৩ উইকট। একটি করে শিকার রাবাদা-এলগার ও ইমারান তাহিরের।

জবাবে দলীয় ৪ ও ৯ রানেই ২ উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা। সাজঘরে ফেরেন ফন জিল (০) ও তাহির (৪)। উইকেট দুটি নেন আশ্বিন ও জাদেজা। ইঙ্গিতটা পরিষ্কার, আজ ফের ভারতীয় ঘূর্ণি-বিষের মুখে পড়তে হবে আমলাদের।

জয়পুরহাট ফুটবল লীগ

নিজস্ব সংবাদদাতা, জয়পুরহাট, ২৫ নবেম্বর ॥ জয়পুরহাট জেলা ক্রীড়া সংস্থা আয়োজিত আন্তঃউপজেলা ফুটবল লীগের ফাইনাল খেলায় কালাই উপজেলাকে ৪-১ গোলে পরাজিত করে জয়পুরহাট সদর উপজেলা চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে জয়পুরহাট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এ খেলায় সদর উপজেলার পক্ষে সৈকত হ্যাটট্রিক এবং পাশবন ১টি গোল করে। কালাই উপজেলার পক্ষে একমাত্র গোলটি করে এনামূল হক। খেলা পরিচালনা করেন লোকমান হোসেন। খেলা শেষে বিজয়ীদের মাঝে ট্রফি বিতরণ করেন প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট সামছুল আলম দুদু। ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আব্দুর রহিম।